October 26, 2026, 6:42 am
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

টানা দ্বিতীয় মাসেও সর্বোচ্চ উৎপাদন  রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ

‎রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় গ্রিডে উৎপাদনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‎জানা গেছে, গেল ডিসেম্বর মাসেও ৬৪০ মিলিয়ন উৎপাদন সম্পন্ন করেছে এ কেন্দ্রটি। যা ইউনিট (এমইউ) হিসেবে বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে। এই সময়ের মধ্যে স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের (আইপিপি) মধ্যেও প্রথম।

‎মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার কোম্পানিটি দেশের মোট ৫,৫৩১ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১১.৫ শতাংশ সরবরাহ করেছে, যা টানা দ্বিতীয় মাসের মতো রেকর্ড করা সাফল্য। এতেকরে টেকসই পরিচালন কর্মক্ষমতাকে তুলে ধরে।

‎বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রের মহা- ব্যাবস্থাপক জি, এম তরিকুল ইসলাম জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। গত দুই মাসে প্রায় ৮,০০,০০০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে প্রায় ২০০,০০০ টন কয়লার মজুদ রয়েছে, যা আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

‎বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আওতায় নির্মিত, মৈত্রী প্রকল্পটি আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্গমন কমাতে অতি-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর পরিবেশগত সুরক্ষার মধ্যে রয়েছে ফ্লু-গ্যাস ডিসালফারাইজেশন ইউনিট, ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, একটি ২৭৫-মিটার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং একটি শূন্য-তরল-স্রাব ব্যবস্থা।

‎আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা সত্ত্বেও, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকার, ধারাবাহিক কর্মক্ষমতা এবং শক্তিশালী জ্বালানি সরবরাহ জাতীয় গ্রিডে কম খরচে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে চলেছে, যা শিল্প কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা