August 15, 2026, 3:57 pm
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

মতলব উত্তরে জলাশয়ে মাটি কেটে ১০লক্ষ পিস মাছের পোনা নষ্ট, ক্ষতির মুখে হ্যাচারী ব্যবসায়ী

মতলব উত্তর প্রতিনিধি:

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় একটি লীজ নেয়া জলাশয়ে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ১০ লক্ষ পিস মাছের পোনা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে শফিকুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী কৃষনা চন্দ্র দাস অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনায় তার প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কৃষনা চন্দ্র দাস, যিনি “জয় শ্রী ফিস হ্যাচারী”র প্রোপ্রাইটর হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত মাছের পোনা উৎপাদন ও হ্যাচারী ব্যবসার সাথে যুক্ত, তিনি ২০১৩ সালে সরকারের কাছ থেকে স্বর্ণপদকও লাভ করেন তার অবদানের জন্য। তিনি জানান, নিশ্চিন্তপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরে অবস্থিত একটি ২ একরের জলাশয় লিজ নিয়ে তিনি পোনা মাছ চাষ করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, বিবাদী শফিকুল ইসলাম ও অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন ব্যক্তি ২ মে ও ৫ মে সকালে তার জলাশয়ের পাশ দিয়ে বেকু দিয়ে মাটি কেটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেলে ফেলে দেন। এতে জলাশয়ের পানির প্রবাহ ব্যাহত হয়ে পোনা মাছের প্রায় ৬০% মারা যায়। কৃষনার দাবি, এতে তার প্রায় দশ লক্ষ টাকার পোনার অর্ধেকেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রথম ঘটনার পর বিবাদীরা তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিলেও তা পরিপালন না করে আবারও একই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন। প্রতিবাদ জানালে তারা মারমুখী আচরণ করেন এবং হুমকিও দেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেয়ে কৃষনা চন্দ্র দাস মতলব উত্তর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকটেও অবহিত করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস চাষী কৃষ্ণচন্দ্র দাস জানান, আমি সংখ্যালঘু, তাই তারা আমার উপর জোরজবস্তি করছে। আমার ফিসারির রেনুপনা গুলো তারা ব্যভিচারে মেরে ফেলছে। আমি বিভিন্ন এনজিওর থেকে কিস্তি নিয়ে ফিশারির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। গত বর্ষার সময়ও আমার ফিসারি থেকে অনেক মাছের পোনা বেরিয়ে চলে গিয়েছে এখন আমি প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা