August 15, 2026, 3:57 pm
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

মতলব উত্তরে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

মমিনুল ইসলাম:

২০২৪-২৫ অর্থবছরের “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা (১ম সংশোধিত)” প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিবন্ধিত ৯ জন জেলের মাঝে বিকল্প আয় উৎস (AIJG) উপকরণ হিসেবে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বটতলা এলাকায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের মোট ১৯৩ জন নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি। তিনি বলেন, “সরকারের এই উদ্যোগ শুধু অনুদান নয়, বরং জীবিকায় স্বনির্ভরতার পথ খুলে দেয়। নদীতে ৩০ এপ্রিল থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠেছে, তবে জেলেদের শুধু মাছ ধরার ওপর নির্ভর না থেকে বিকল্প পেশায় এগিয়ে আসা জরুরি। বাছুর বিতরণ সেই স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, “মৎস্য অধিদপ্তরের মূল লক্ষ্য হলো, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়ন। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা কষ্ট করে নিয়ম মানেন। সেই অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিকল্প পেশায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “গত লডে ৭৫ টি বাছুর বিতরণের সময় ৯টি বাছুর ছোট ও অপুষ্ট থাকায় ঐসময় দেওয়া হয়নি। আজকে জেলেদের এ বাছুরগুলো দেওয়া হলো।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলে প্রতিনিধি, কর্মরত সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও মাছের মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। চলতি বছর ৩০ এপ্রিল থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে সরকার নিবন্ধিত জেলেদের বিকল্প জীবিকায় উৎসাহিত করতে এআইজিএ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা