চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বেপরোয়া মোটরসাইকেলে কেরে নিল এইচ এম জহিরুল হাওলাদার হিমেল (২৮) নামে এক যুবকের প্রাণ। সে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদারের ছেলে।
এইচ এম জহিরুল হাওলাদার হিমেল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এগ্রিকালচার ট্যাকনোজির (আইইউবিএটি) মেধাবী ছাত্র ছিল।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বুধবার ১৯ জুন রাত আনুষ্ঠানিক ৯ টার দিকে তার বাড়ি সংলগ্ন বেরীবাদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাতাস উপভোগ করছিল। এমন সময় এখলাছপুর থেকে মোহনপুরমুখী একটি মোটরসাইকেল বেপরোয়া গতিতে জহিরুলকে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার বাদ জোহর জানাজায় নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সে দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট। পিতা-মাতা, ভাই ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। এসময় মরহুমের পিতা জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার বক্তব্য দেন।
জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর -২ আসনের সাংসদ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানিক, দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র লায়ন আরিফ উল্লাহ সরকার, মতলব উত্তর উপজেলার রিয়াজুল হাসান রিয়াজ, আওয়মীলীগের আইন বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আশফাক চৌধুরী মাহি, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ইলিয়াস, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান হানিফ দর্জি প্রমুখ।
এদিকে ঘাতক মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুইজনকে আটক করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলো উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙা গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে ইয়াছিন (২২) ও আইঠাদি মাথাভাঙা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে রাহুল (২২)।
এবিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।