July 17, 2026, 12:54 am
শিরোনামঃ
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি ড. জালাল উদ্দিন, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফাটল, প্রশ্নের মুখে ২ কোটি ২০ লাখ টাকার সেতু সাদুল্ল্যাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে তৎপর যুবদল, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও গণসংযোগ ছেংগারচর পৌরসভার ৩১ কোটি ৮২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা মতলব উত্তরে শুরু কৃষক কার্ড কার্যক্রম, ডিজিটাল ডেটাবেজে যুক্ত হচ্ছেন কৃষকরা মতলব উত্তরে পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ; প্রবাসী বাবার অপেক্ষায় আরিয়ানের দাফন সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে মতলব দক্ষিণে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ধর্ম ও জাতিসত্তা : একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা!

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি ড. জালাল উদ্দিন, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস

মমিনুল ইসলাম, মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
Oplus_16908288

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতাধীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং মেঘনা নদীর তীরভাঙন কবলিত এলাকা ও মতলব ব্রীজ এর এপ্রোচ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায় তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভাঙনের ভয়াবহতা, বেড়িবাঁধের ঝুঁকি এবং তাদের দুর্ভোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু বলেন, মেঘনা নদীর ভাঙনে মতলবের মানুষ বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন। আমরা চাই, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক। এ বিষয়ে আমাদের সংসদ সদস্য ড. মো. জালাল উদ্দিন জাতীয় সংসদে বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং জনগণের দাবির পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

পরিদর্শনকালে ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুধু মানুষের ঘরবাড়িই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। বিষয়টি আমি জাতীয় সংসদে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছি। এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে স্থায়ী ও টেকসই নদীশাসন এবং বেড়িবাঁধ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমি চাই, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি জাতীয় সমস্যা। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমি এলাকাবাসীর পাশে আছি এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মেঘনার তীব্র ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইশমাম, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল হাসান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা