August 10, 2026, 9:34 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

রামপালে মরা গরুর মাংস বিক্রির অপচেষ্টা; দুই বিক্রেতাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের রামপালে মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় হাতেনাতে আটক দুই বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার সকালে রামপাল উপজেলার ফয়লা হাট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযুক্তদের আটক করা হয়।

অভিযানে উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. অভিজিৎ কুমার উপস্থিত থেকে জব্দকৃত মাংস পরীক্ষা করেন। তিনি জানান, মাংসটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও পচনশীল অবস্থায় ছিল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ এবং বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর এলাকার ইয়ামিন হাওলাদার। জনস্বাস্থ্যবিরোধী এ অপরাধে তাদের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারসংলগ্ন এলাকায় একটি গরু মারা যাওয়ার পর অভিযুক্তরা ভেটেরিনারি পরীক্ষা ছাড়াই সেটির মাংস কেটে হাটে বিক্রির চেষ্টা করে। মাংসের তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয় এবং তারা বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেন।

পরে খবর পেয়ে প্রশাসন দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। জব্দকৃত পচা মাংস পরে স্থানীয়ভাবে মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অসাধু ব্যবসায়ীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নয়; হাটবাজারে নিয়মিত নজরদারি, মাংসের মান পরীক্ষায় স্থায়ী মনিটরিং ব্যবস্থা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতেও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা