চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও পদুয়ারপাড় গ্রামের কৃতি সন্তান তাজুল ইসলাম মিয়াজিকে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুমার নামাজের পর পদুয়ারপাড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পদুয়ারপাড় গ্রামের সমাজসেবক বশির আহম্মেদ প্রধানের সভাপতিত্বে এবং দেলোয়ার হোসেন দুলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তব্য রাখেন তাজুল ইসলাম মিয়াজি।
এ সময় গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য দেন সফিক মিয়াজি, হারুন, সুন্নু মিয়াজি, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রব প্রধান, কাইয়ুম, বাহাউদ্দীন, আল আমিন সরকার, মাসুদ, খেকন, মিঠুন, পিন্টু, ফরহাদ, আমিনুল ইসলাম খোকন, মো. হানিফ, মজিবুর রহমান মাস্টার, আরিফ উল্লাহ, ফারুক, জুয়েল, আলী হোসেন, সোহেল, ইলিয়াস, নাজমুল মিয়াজি, জনি মিয়াজি, নুরুল মিয়াজি, এনামুল।
বক্তারা বলেন, ২২টি গ্রাম ও ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবার স্বার্থে তারা চেয়ারম্যান পদে তাজুল ইসলাম মিয়াজির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করছেন।
গ্রামবাসীরা সমর্থন জানিয়ে বলেন, তাজুল ইসলাম মিয়াজি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে রয়েছেন। এই গ্রামে আগে কোন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিল না, তিনি প্রার্থী হওয়ায় আমরা আনন্দিত। একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সমর্থন জানাচ্ছি। তাঁর নেতৃত্বে সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
গ্রামবাসীর উদ্দেশে বক্তব্যে তাজুল ইসলাম মিয়াজি বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি, এখনও সেই রাজনীতির সঙ্গেই আছি। অতীতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেলেও পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় নির্বাচন করতে পারিনি। জয়-পরাজয় একমাত্র আল্লাহ নির্ধারণ করেন, তবে আমার নির্বাচন করার আশা ও আকাঙ্ক্ষা আছে। দলীয় সিদ্ধান্ত, নেতাদের পরামর্শ ও সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতেই আমি এগোতে চাই। আমি একা নির্বাচন করতে পারব না, আপনারাই আমার ভাই, আপনারাই আমার অভিভাবক। আপনারা যদি আমাকে সমর্থন, দোয়া ও অনুমতি দেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমি নির্বাচন করব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।
গ্রামবাসীর সর্বসম্মত সমর্থন পাওয়ার পর তাজুল ইসলাম মিয়াজি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জের। আপনারা আমাকে যে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন, সে জন্য আমি গ্রামবাসীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নবাসীর সেবা ও উন্নয়নে নিজেকে সর্বোচ্চভাবে নিয়োজিত রাখব, ইনশাআল্লাহ।