June 25, 2026, 3:58 am
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

এমভি ময়ূর-৭ লঞ্চের কেবিনে থেকে প্রেমিক-প্রেমিকার মরদেহ উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, চাঁদপুর :

চাঁদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া এমভি ময়ূর-৭ লঞ্চের কেবিন থেকে আনোয়ার হোসেন (২৫) ও রোজিনা আক্তার (২০) নামে প্রেমিক-প্রেমিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।

গতকাল ২ আগস্ট শুক্রবার সকালে ওই লঞ্চটি সদরঘাটে পৌছানোর পরে খবর পেয়ে নৌ-থানা পুলিশ দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করে।

এই তথ্য নিশ্চিত করে নৌ পুলিশ সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম।

আনোয়ার হোসেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের ভোটাল গ্রামের হাফেজ মোহাম্মদ এর ছেলে এবং রোজিনা আক্তারের বাড়ি মাদারীপুর জেলার মেয়ে।

এমভি ময়ূর-৭ লঞ্চের সুপারভাইজর আবু সাইদ জানান, লঞ্চটি সকালে সদরঘাটে পৌছানোর পর ৩১১ নম্বর কেবিন খুলে যাত্রী বের হয়নি। আধাঘন্টা সময় নিয়ে দরজা আওয়াজ দেয়া হয়। কিন্তু কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। এরপর নৌপুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে লঞ্চের দরজা খুলে দু’জনের মরদেহ দেখতে পায় এবং পরবর্তিতে সুরাতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, আনোয়ার ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়া ইউনিয়নের বোটাল গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির হাফেজ মোহাম্মদের ছেলে। তিনি এক নারীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে লঞ্চের ৩১১ নম্বর কেবিন ভাড়া নেয়।

লঞ্চের চাঁদপুর ঘাটের মালিক প্রতিনিধি আজগর আলী সরকার জানান, সকালে ঘটনাটি আমাকে লঞ্চ থেকে স্টাফরা জানায়। আমি তাদেরকে পুলিশের সহযোগিতা নেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর লঞ্চ ঘাট থেকে এমভি ময়ূর-৭ লঞ্চটি সদর ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এর পূর্বে আনোয়ার হোসেন তার প্রেমিকা রোজিনা আক্তারকে সাথে নিয়ে লঞ্চে উঠে। লঞ্চের ৩১১ নম্বর কেবিন ভাড়া নেয়। পথিমধ্যে প্রেমিক আনোয়ার হোসেন তার প্রেমিকা রোজিনা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নিজে কেবিনের ফ্যানের সাথে রশি লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। এর পূর্বে আনোয়ার হোসেন চিরকুট লিখে যায়। সেখানে লেখা ছিল ‘তার প্রেমিকাকে পরিবারের পক্ষ থেকে মেনে না নেয়ায় সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’

নৌ পুলিশ সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম বলেন, লঞ্চ থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য দুটি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

জানা গেছে সন্ধ্যায় তাদের পরিবারের লোকজন থানায় এসেছে। আইন প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা