June 25, 2026, 1:56 am
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

মতলব উত্তরে মায়ের জানাজায় ছেলের মৃত্যু ; এলাকায় শোকের মাতম!

মমিনুল ইসলাম:
Oplus_131072

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মায়ের জানাজায় দিতে গিয়ে ইয়াছিন প্রধান (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের নান্দুরকান্দি গ্রামে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত ইয়াছিন প্রধানের ছোট ভাই মো. বাবর আরিফ।

এ ঘটনায় নান্দুরকান্দি ও আশেপাশে গ্রাম জুড়ে চলছে শোকের মাতম।

জানা যায়, ইয়াছিন প্রধানের মা আনোয়ারা বেগম (৮২) বার্ধক্য জনিত কারণে দীর্ঘদিন অসুস্থতা থাকার পরে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মায়ের মৃত্যুতে ৪ভাই, ৩বোন সহ আত্মীয়-স্বজন সবাই তাদের বাড়িতে আসেন। মায়ের মৃত্যুতে খুব কান্নাকাটিও করেছিলেন ইয়াছিন প্রধান। মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে আছরের নামাজের পরে তার মায়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তেই স্ট্রোক করেন ইয়াছিন প্রধান। সেখান থেকে নিকটস্থ সুজাতপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইয়াসিন প্রধানের মৃত্যুতে তার মায়ের জানাজা দিতে আসা লোকজন ও আত্মীয়স্বজন হতভম্ব হয়ে পড়েন।

ইয়াছিন প্রধানের একমাত্র ছেলে সায়মন হোসেন লাদেন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার বাবা আমার দাদিকে খুব ভালোবাসতেন এবং আমার দাদিকে সবসময় সেবা যত্ন করতেন। সকালে দাদি মারা গেলে আমার বাবা খুব ভেঙে পড়েন। আসর নামাজের পরে সবাই দাদির জানাজা একত্রিত হলে ঠিক ওই মুহূর্তেই আমার বাবা স্ট্রোক করেন। ওখান থেকে আমার বাবাকে হাসপাতাল নিয়ে গেলেন ডাক্তাররা আমার বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখন আমি কি করবো বুঝতে পারতেছি না। আমি এতিম হয়ে গেলাম।

এ বিষয়ে ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী জানান, বিষয়টি খুবই মর্মাহত, আমার কাছে খুব খারাপ লাগতেছে। ইয়াসিন প্রধানের ছোট ভাই বাবর আরিফ সমাজের দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের সাহায্য সহযোগিতা করে আসছে। আমি এবং আমার ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

মৃত্যুকালে ইয়াছিন প্রধান স্ত্রী, ১ ছেলে, ৪ ভাই, ৩ বোন সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী গেছেন। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা আনোয়ারা বেগম ও ছেলে ইয়াছিন প্রধানকে দাফন সম্পন্ন হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা