October 26, 2026, 7:47 am
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

মতলব উত্তরে ধনাগোদা নদীর খালে অবৈধ ভেসাল-কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য ; হুমকিতে মৎস্য সম্পদ

মমিনুল ইসলাম:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ধনাগোদা নদী ও এর সাথে সংযুক্ত খালগুলোতে অবাধে চলছে ভেসাল ও কারেন্ট জালের ব্যবহার। ফলে হুমকির মুখে পড়ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য। অথচ এসব নিয়ে প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে সোমবার (২৮ জুলাই) সাদুল্ল্যাপুর, কালীপুর, পুটিয়ারপার, হানিরপাড়, বড় হলদিয়া, নেদামদী, আমিনপুর, উদামদি, টরকী ও নন্দলালপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অর্ধশতাধিক স্থানে বাঁশের কাঠামোতে স্থাপন করা ভেসাল জালে প্রতিনিয়ত মাছ শিকার করছেন জেলেরা। তাদের ফাঁদে জাটকা ইলিশসহ ছোট-বড় দেশীয় প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ আটকা পড়ছে, যা পরবর্তী সময়ে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে দেশের মৎস্যসম্পদকে।

স্থানীয় জেলে হরিদাস পাল, শুক্কুর শেখ, হারুন প্রধান ও আল আমিন ভেসাল জাল দিয়ে মাছ ধরার কথা স্বীকার করে জানান, বড় মাছের পাশাপাশি অনেক ছোট পোনাও আমাদের জালে ধরা পড়ে। তবে ছোট পোনাগুলো বিক্রি যোগ্য না হওয়ায় সেগুলো ফেলে দিতে হয়।

তাদের দাবি, প্রশাসনের অভিযান শুরু হলে তারা এই অবৈধ পন্থা থেকে বিরত থাকবেন।

একই সুরে কথা বলেন আরেক জেলে মিঠু চন্দ্র বর্মন। তিনি বলেন, ইলিশ ধরতে আমরা কারেন্ট জাল ব্যবহার করি। খালে ফাঁদ দিয়ে দেশীয় ছোট মাছ ধরি। কিন্তু যদি প্রশাসন বলে এগুলো অবৈধ, তাহলে আমরা আর করবো না।

অন্যদিকে, মৎস্য বিভাগের উদাসীনতার অভিযোগ নাকচ করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, “আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। চায়না চাই, ভেসাল, কারেন্ট জালসহ সব অবৈধ জালের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের জাল ব্যবহার দেশের মিঠাপানি ও সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।

তিনি আরও জানান, চায়না চাই, গচি জাল, গণমসারি জালসহ অবৈধ জালের বিরুদ্ধে শিগগিরই আরও কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাশয়ে অবৈধ জাল বসানো ও ফাঁদ স্থাপন বন্ধ না হলে অচিরেই দেশীয় মাছের প্রজাতি সংকটে পড়বে। প্রশাসনের কঠোর মনোভাব এবং জনসচেতনতা বাড়ানো ছাড়া এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা