June 24, 2026, 8:27 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

বাগেরহাটে কুমিরের শিকার কুকুরটি ছিলো জলাতঙ্কে আক্রান্ত : তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট:

বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের শিকার হওয়া কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের মুখে দেওয়া হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ এপ্রিল বিকেলে, যখন মাজারের প্রধান ঘাট এলাকা থেকে একটি কুকুরকে দিঘিতে থাকা কুমির ‘ধলাপাহাড়’ শিকার করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে কুকুরটির ময়নাতদন্ত করা হয় এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবরেটরিতে (সিডিআইএল) পাঠানো হয়।

প্রাপ্ত রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়, কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল। বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী জানান, আক্রান্ত কুকুরটি পূর্বে একাধিক মানুষকে কামড় দিয়েছিল, ফলে তাদেরও ঝুঁকিতে থাকার সম্ভাবনা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, কুমিরটির জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই, কারণ কুমির সাধারণত এ রোগে আক্রান্ত হয় না।

তদন্ত কমিটির প্রধান আতিয়া খাতুন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে কুকুরটি দুর্ঘটনাবশত পানিতে পড়ে যায় এবং কুমিরের শিকার হয়। এখানে কোনো মানবসৃষ্ট বা ইচ্ছাকৃত ঘটনার প্রমাণ মেলেনি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল এবং ঘটনাটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনাজনিত।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে প্রশাসনের এই তদন্ত প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা