October 26, 2026, 10:01 am
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

সুনামগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ ; এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজমান

রাজু ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় উকিলপাড়া সার্কেল অফিস সংলগ্ন পূর্ব পাশে যে জমিটুকু আছে তাহা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে আর যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মোছাম্মদ রহিমা আক্তার বিগত ১৯/০৫/২০০৩ইং সালে খরিদ মূলে মালিক হন।

তিনি দাবি তুলেন এই জায়গাটি গর্ত ছিল আমি নোঁয়াবন্দ থেকে পুকুরের মাটি এনে উক্ত জায়গাটি ভরাট করি এবং গাছ গাছালি রোপন করি।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উকিল পাড়ার ইউনুস আলী বলেন, উক্ত জায়গাটি দীর্ঘদিন আগে রহিমা বেগম ক্রয় করেন বিষয়টি আমি অবগত। প্রতিবেশী মারফত আলী বলেন জায়গাটি দীর্ঘদিন যাবত রহিমা বেগম ভোগ দকল করে আসছে এবং গাছপালাদি রোপন করেছে জায়গাটি রহিমা বেগমের। রহিমা বেগমের স্বামী মোহাম্মদ রহমত আলী বলেন এই জায়গাটি ২০০৩ সালে আমি ওয়ারিশগণের কাছ থেকে ক্রয় করেছি এই জায়গার মালিক আমি, তাদের কোন কাগজপত্র নেই এ বিষয়ে একটি মামলা চলমান রহিয়াছে যা ভুলবশত এই জমিটুকু বারেক মিয়া ও আলেক মিয়ার নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত প্রমাণের প্রেক্ষিতে যদি আমি জাগার মালিক হই তাহলে আমার জায়গা যেন আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, আর যদি তারা দলিল মূলে মালিক হয় তাহলে আমার এখানে কোন আপত্তি নেই।

প্রতিপক্ষ বারেক মিয়া ও আলেক মিয়া বলেন, জায়গাটি আমার পিতা ৫০ বছর আগে এই জমি ক্রয় করেন এবং আমাদের তিন ভাইয়ের নামে দিয়ে যান, এত বছর যাবত আমরা এই জমি ভোগ দকল করে আসছি। বাদী পক্ষ আমাদেরকে মামলার মধ্যে ফেলে হয়রানি করে তুলে, কয়েক বছর যে কারণে আমরা বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর হই তার সুযোগ নিয়ে তারা জমিটি দখল করে, এবং বিভিন্ন জনের কাছে কিছু জায়গা বিক্রি করে। আমার প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন আমার জায়গাটুকু যেন আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা