October 26, 2026, 3:50 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

আমন কাটার পর খড়েই ব্যস্ত কৃষক, মতলব উত্তরে গো-খাদ্যের বাজার চাঙ্গা

মমিনুল ইসলাম:

আবহাওয়া অনুকূলে থাকা, সময়মতো বৃষ্টি এবং উপজেলা কৃষি অফিসের সঠিক পরামর্শে এবারের চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতায় আমন ধানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ কৃষক ধান কেটে ঘরে তুলেছেন। এখন মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে ধানের খড় শুকানোর দৃশ্য।

ধান ঘরে তোলার পর কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন খড় শুকানো ও গো-খাদ্য হিসেবে সংরক্ষণে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নির্ভয়ে খড় শুকিয়ে রাখছেন তারা। খড়ের দাম ভালো থাকায় অনেক কৃষক প্রয়োজন অনুযায়ী খামারিদের কাছে বিক্রিও করে দিচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে ৭ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে চাষ হয়েছে প্রায় ৯ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খামারিরা এখন বিলে বিলে ও বাড়ি বাড়ি ঘুরে কৃষকদের কাছ থেকে ধানের খড় কিনে নিচ্ছেন। শুধু স্থানীয় নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও খামারিরা মতলব উত্তরে এসে খড় সংগ্রহ করছেন।

ফতেপুর গ্রামের কৃষক হোসেন মিয়া বলেন, ধান তো ভালোই পাইছি। এখন খড়ই বড় ভরসা। আবহাওয়া ভালো থাকায় খড় শুকাইতে কোনো ঝামেলা নাই। কিছু খড় গরুর জন্য রাখছি, ২০ শতাংশ জমির খড় খামারির কাছে ৩ হাজার টাকা বিক্রি কইরা দিছি।

ছেংগারচর পৌর এলাকার দেওয়ানজীকান্দি গ্রামের কৃষক জসিম উদ্দিন বলেন, এইবার খড়ের দাম ভালো। আগে খড় তেমন দাম পাইত না, এখন খামারিরা বাড়ি বাড়ি আইসা কিনে নিয়ে যাইতেছে। ধানের পর খড়টাও এখন লাভের জিনিস হইয়া গেছে।

সুলতানাবাদ ইউনিয়নের টরকী গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, ধান কাইরা শেষ, এখন খড় শুকানোই কাম। আবহাওয়া ভালো থাকায় খড় নষ্ট হওয়ার ভয় নাই। ভালো দাম পাইলে কিছু খড় বেচে দিমু, বাকিডা গরুর জন্য রাখুম।

একই এলাকার এক খামারি মো. শাহ আলম বলেন, গরুর খাবারের জন্য খড়ের খুব দরকার। তাই আমরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে খড় কিনছি। এখানকার খড় ভালো, দামও তুলনামূলক ঠিক আছে।

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, সময়মতো বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার আমন ধানে ভালো ফলন হয়েছে। ধান কাটার পর খড় সঠিকভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। খড় এখন গো-খাদ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তাই এটি কৃষকের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা