ইসরায়েলি বাহিনীর গাজায় নির্বিচারে গণহত্যার বিরুদ্ধে আগামীকাল শনিবার রাজধানী ঢাকায় ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি পালন করা হবে।
আগের ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার শাহবাগ থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এই ‘মার্চ’ হওয়ার কথা ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেলা ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজমায়েত করা হবে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অভিমুখে যাত্রা করা হবে না।
এদিকে গাজায় গণহত্যা বন্ধ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আজ শুক্রবার রাজধানীতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এ বিক্ষোভ ও সমাবেশ হয়। এ সময় সাধারণ মুসল্লিরাও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে যোগ দেন।
আজকের ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচির আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের পক্ষে ঢাকায় এটিই হবে সবচেয়ে বড় জমায়েত। তাঁরা দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
ঢাকায় বিনিয়োগ সম্মেলনে আসা অতিথিদের চলাচল ও ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে ওই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্টের পক্ষ থেকে গণমাধ্যম বলেছেন, শনিবার বেলা ২টায় পাঁচটি পয়েন্ট থেকে মার্চ শুরু করে বেলা ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজমায়েত হবে। বাংলামোটর, কাকরাইল মোড়, জিরো পয়েন্ট, বকশিবাজার মোড় ও নীলক্ষেত মোড় থেকে মিছিল উদ্যানে ঢুকবে।
শুক্রবার তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে দুটি বিশেষ নির্দেশনা ও চারটি সাধারণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ নির্দেশনা দুটি হলো শনিবার টিএসসির মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে ও সব পরীক্ষার্থীর জন্য রাস্তা বিশেষভাবে উন্মুক্ত থাকবে। আর সাধারণ নির্দেশনাগুলো হলো গণজমায়েতে অংশগ্রহণকারীরা নিজ দায়িত্বে ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী (পানি, ছাতা, মাস্ক) সঙ্গে রাখবেন ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখবেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য-শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী-স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন, রাজনৈতিক প্রতীকবিহীন সৃজনশীল ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড, শুধু বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পতাকা বহনের মাধ্যমে সংহতি প্রকাশ করার অনুরোধ এবং দুষ্কৃতকারীদের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সক্রিয় থাকতে হবে, প্রতিরোধ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে।