May 11, 2026, 6:57 pm
শিরোনামঃ
একাধিক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানার পর মতলব উত্তরে আটক মতলব উত্তরে চাঁদা দাবিতে হামলার অভিযোগে আদালতে মামলা খাদ্য, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার অবস্থা ভালো নেই, আমার এলাকার মানুষ খুবই অবহেলিত : এমপি কামরুল মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি সফিকুল, সম্পাদক সুমন মোংলা নদী পারাপারে ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসনের জরুরি বৈঠক আল্লাহ পাক মানুষকে কেন তাঁর খলিফা হিসেবে ঘোষণা করেছেন? আজকাল কিছু মানুষ মুখে মুসলমান দাবি করে, অথচ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নবুয়ত ও মহান চরিত্র নিয়ে বিতর্কীত প্রশ্ন তোলে? জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : জনগণের দৃষ্টিতে আদর্শ, সততা ও দেশমাতৃকার প্রতি নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতার যেন প্রতিচ্ছবি মতলবে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল জ্বালানি তেল জব্দ, ৪ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

একাধিক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানার পর মতলব উত্তরে আটক

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :
Oplus_16908288

যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের চরপাথালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান।

শনিবার (৯ মে) রাতে তাকে আটক করে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। পরে রবিবার (১০ মে) সকালে তাকে চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে ঢাকার বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের হওয়া যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, সি.আর মামলা নং-২৪২/২০২৫ (শেরেবাংলানগর) মামলায় আত্মগোপনে থাকার কারণে গত ২০ এপ্রিল ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে তার বিরুদ্ধে ৬০৪৫/৬০৪৬ নং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই সঙ্গে ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়।

মামলার বাদী নুরুন নাহার অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর চার লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় প্রায় সাত লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল দেওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামী মিজানুর রহমান বিভিন্নভাবে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন।

বাদীর ভাষ্য, গ্রামের বাড়িতে ঘর নির্মাণের কথা বলে তার ভাইয়ের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়া হলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। এছাড়া বিদেশ যাওয়ার কথা বলে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো।

বাদী বলেন, আমার বিয়ের পর থেকেই সে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতো। আমার ভাই ও পরিবারের লোকজন আমার সুখের জন্য তাকে বিভিন্ন সময় টাকা দিয়েছে। এরপরও যৌতুকের জন্য আমাকে মারধর করতো। পরে জানতে পারি, সে একাধিক বিয়ের সঙ্গে জড়িত। আমার বিয়ের পরও সে আরেকটি বিয়ে করেছে। সে পরকীয়াতেও জড়িত। উপায় না পেয়ে আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিজানুর রহমান একাধিক বিয়ে করেছেন এবং নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের ঘটনায় পারিবারিকভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও আসামি অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হন বাদী।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানা পুলিশ জানায়, আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা