August 21, 2026, 11:45 pm
শিরোনামঃ
জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : নেতৃত্ব, বিতর্ক ও আইনের শাসনের আলোকে একটি পর্যালোচনা সুন্দরবনের কেওড়া ফল ; উপকূলীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টায় খুঁটিতে যুবক, জনতার হাতে আটক হয়ে পুলিশের কাছে শাহরিম ফাউন্ডেশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মোংলায় কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যুবক আটক সুন্দরবনে অবমুক্ত বাঘিনীর রহস্যময় অন্তর্ধান ; ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ

দক্ষিণ কোরিয়ায় জিআইসিসি সম্মেলনে মতলব-গজারিয়া সেতু নির্মাণে আলোচনা

মমিনুল ইসলাম:

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অপারেশন কনফারেন্সে (জিআইসিসি) চাঁদপুরের বহুল প্রতীক্ষিত মতলব-গজারিয়া সেতু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। তিনি বাংলাদেশে সম্ভাব্য বড় অবকাঠামো প্রকল্পসমূহের মধ্যে মতলব-গজারিয়া সেতুকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করেন।

১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর সিউলের ওয়েস্টিন পারনাস হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন, সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে বিকল্প সড়ক সংযোগ তৈরি করাই সেতুটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য। এটি বাস্তবায়িত হলে, রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াত সময়, দূরত্ব ও খরচ কমবে। শিল্পোন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও পর্যটন খাতে গতি আসবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, চাঁদপুরের দুই অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনকালে সেতু সচিব জানান, সেতু বিভাগের কয়েকটি প্রকল্পে কোরিয়ার ইডিসিএফ/ইডিপিএফ তহবিল থেকে অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের পরিবহন খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও তিনি তুলে ধরেন।

জিআইসিসি-২০২৫ মূলত একটি বিজনেস-টু-বিজনেস প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বিভিন্ন দেশের সরকার, প্রজেক্ট ডেভেলপার ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।

সম্মেলনে ৩০টি দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং কোরিয়ার শীর্ষ নির্মাণ সংস্থাসহ প্রায় ৫০০ জন অংশ নেন। এখানে নতুন অবকাঠামো প্রজেক্ট নিয়ে ব্রিফিং, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের প্যানেল আলোচনা, বিজনেস মিটিং এবং কোরিয়ান নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, জিআইসিসি’র মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য আদান-প্রদান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি যেমন স্মার্ট সিটি, হাই-স্পিড রেল ও স্মার্ট পোর্ট সিস্টেম প্রচার করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা