ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei ‘আর বেঁচে নেই’—এমন দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। তবে এ বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট ও চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
BBC News বাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ইঙ্গিত দেন যে ইরানের ‘স্বৈরশাসক’ আর নেই। তবে তিনি সরাসরি ও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর নিশ্চিত ঘোষণা দেননি; বরং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এমন দাবি করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আঞ্চলিক সূত্রে খামেনির মৃত্যু নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিবৃতি আসেনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির মতো একজন প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতার মৃত্যু হলে সাধারণত রাষ্ট্রীয় শোক, উত্তরসূরি নির্ধারণ এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণাসহ একাধিক দৃশ্যমান প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয়। সেসব বিষয়ে এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বড় সংবাদমাধ্যমগুলোতে সুসংহত তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামোর কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও কূটনৈতিক মহল ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা এলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।