June 8, 2026, 6:22 pm
শিরোনামঃ
দীর্ঘ কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৯১ বাংলাদেশি জেলে, মোংলায় স্বজনদের সাথে পুনর্মিলন হরিরামপুরে যুবদল নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা মতলব উত্তরে জাটকা রক্ষা অভিযানে জব্দ ৩৫ নৌকা নিলামে বিক্রি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত জাতীয় পার্টির রাজশাহী বিভাগীয় আহ্বায়ক হলেন মতলবের এমরান হোসেন মিয়া বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হলেন মতলবের কৃতি সন্তান ডা. মাহাবুব আহমেদ শামীম রামপালে মরা গরুর মাংস বিক্রির অপচেষ্টা; দুই বিক্রেতাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পাইকুরাটিতে কৃষকদের বিক্ষোভ ; তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফেরা সুন্দরবনের সেই বাঘিনী জুনের শেষেই ফিরছে আপন আবাসে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে হট্টগোল ; খেলা অমীমাংসিত

হরিরামপুরে যুবদল নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা

বিশেষ প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জঃ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় যুবদল নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা কাইয়ুম মোল্লা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন (বুধবার) দুপুরে উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দায় একটি পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপজেলা যুবদলের সদস্য কাজী সালাউদ্দিন শিমুলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, যুবলীগ নেতা কাইয়ুম মোল্লা ও বয়রা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা অনিক আহমেদের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় তিনি হরিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত কাইয়ুম মোল্লা উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মো. খোরশেদ মোল্লার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি পূর্বে ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে অনিক আহমেদ একই এলাকার বাসিন্দা এবং বয়ড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সময় এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালানো হয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, পুকুর খনন ও উন্নয়ন কাজসহ বিভিন্ন খাতে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, সালিশ বৈঠকের সময় হঠাৎ উত্তেজনা তৈরি হলে মারধরের ঘটনা ঘটে এবং পরে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়। ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানও একই ধরনের বক্তব্য দেন।

এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, মারধরের ঘটনায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর মধ্যে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা