চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮নং বাগাতি নানিপুর সুইচগেট এলাকায় পরকীয়া প্রেমিকার স্বামীকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে প্রাণ নেওয়ার চেষ্টা করার সময় নিজেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়। অবশেষে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে মূল অপরাধী পরকীয়া প্রেমিক রশিদ পুলিশের হাতে ধরা পরল।
পরকীয়া প্রেম যেন মহামারীতে রূপান্তরিত হয়েছে স্বামী হারাচ্ছে স্ত্রীকে সন্তান হারাচ্ছে মাকে। তেমনি একটি ঘটনা করেছে।
গতকাল ৯ মার্চ দুপুরে মডেল থানা পুলিশ আটক আব্দুর রশিদকে আদালতের প্রেরণ করে।
স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের হাতে আঘাতপ্রাপ্ত স্বামী সুজন বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর যন্ত্রণায় ছটফট করছে।
মঙ্গলবার শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে দিনমজুর সুজনকে রাস্তার পাশে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এ সময় দুজনের মধ্যে দস্তাদস্তি মূল অপরাধী রশিদ পাটোয়ারী নিজের পায়ে আঘাত পায়। পরে দুজনকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে রশিদ হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেয়।
পথচারীরা সুজনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার অবস্থা অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে ডাক্তার।
এই ঘটনায় মূল অপরাধী পরকীয়া প্রেমিক রশিদ পাটোয়ারী জানায়, সুজনের স্ত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সুজন তাই তাকে রাস্তায় পেয়ে মারধর করা হয়। এ সময় দুজনের দস্তাদস্তি হলে পায়ে ছুরি ঢুকে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হলে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিলে পুলিশ ধরে ফেলে।
আহত সুজন জানায়, শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে রাস্তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক রশিদ ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। স্ত্রীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে তবে পূর্ব থেকে স্ত্রী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন সবকিছুই জানতো।
এদিকে, এই ঘটনায় সুজনের পরিবার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে অবশেষে মূল অপরাধী রশিদ পাটোয়ারীকে পুলিশ আটক করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়।