June 24, 2026, 9:24 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

বর্ষবরণে মতলবে ইলিশের মন ৩ লক্ষাধিক টাকা

মমিনুল ইসলাম, মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় প্রতি মণ ইলিশের দাম ৩ লাখ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। আর ইলিশের দাম এত অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে এবারের বর্ষবরণের ইলিশ ।

সরেজমিনে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ও তার আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের মাছের আড়তগুলোতে ইলিশের দাম অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে । আড়তদাররা জানায় এর মূল কারণ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত পাইকাররা। তাদের কারনেই ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৬০০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।

অন্যদিকে, ৪শ’ থেকে ৬শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪শ থেকে ২ হাজার ৬শ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মতো।

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

অন্যদিক, স্থানীয় মাছের আড়তদার ও খচরা ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু জেলে সাগর থেকেও ইলিশ এনে মতলবের আড়ত ও বাজারে বিক্রি করছেন।

আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।

মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল বাবুর বাজার’সহ বিভিন্ন মাছের আড়তে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ষাটনল বাবুর বাজার মৎস্য আড়তের সভাপতি মাহবুব মিয়াজী বলেন, ইলিশের সংকটের পাশাপাশি নববর্ষকে ঘিরে চাহিদা অনেক বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ইলিশের দাম বাড়ে, তবে এবারের বৃদ্ধি তুলনামূলক অনেক বেশি।

তিনি আরও জানান, নববর্ষের পর ইলিশের দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা