August 11, 2026, 11:09 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

মতলব উত্তরের ষাটনল লঞ্চঘাটে অটোচালকদের কাছে জিম্মি সাধারণ যাত্রীরা!

মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ যাত্রীরা অটোচালকদের কাছে জিম্মি হয়ে দিনাতিপাত করছেন।

প্রতিদিন ষাটনল- নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ-ষাটনলগামী কয়েক হাজার যাত্রী এই নৌরুটে নিয়মিত যাতায়াত করেন।

দূরত্ব ও সময় বাঁচাতে মতলব উত্তর উপজেলার যেকোনো প্রান্তে যাতায়াত সুবিধার কথা মাথায় রেখে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে এ পথে বিপুল পরিমাণ যাত্রী নৌযান ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। বিপুলসংখ্যক যাত্রীদের যাতায়াত কেন্দ্র করে এলাকাটির অটোরিকশা চালকরা বিভিন্ন প্রান্তের যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করেন অতিরিক্ত ভাড়া।

সরেজমিনে দেখা যায়, লঞ্চঘাট এলাকায় সারি সারি অটোরিকশা।যাত্রী নামলেই শুরু হতে থাকে দামদর, একজন চালকের সাথে চাহিদা মত ভাড়ার মিল না হলে অন্য চালকরাও ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ টাকার ব্যাবধানেদ ভাড়া হাঁকান। এতে অনেকটাই বাধ্য হয়ে চালকদের দাবিকৃত ভাড়ায় বাড়ি পৌঁছাতে হয় যাত্রীদের। যেখানে নারায়ণগঞ্জ থেকে ষাটনল লঞ্চঘাট পর্যন্ত নৌযানগুলোর জনপ্রতি ভাড়া ৭০ থেকে ৯০ টাকা। সেখানে যাত্রীদের ষাটনল লঞ্চঘাট থেকে বাড়ি পৌঁছাতে খরচ হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।

ঈদ সহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র এসব চালকরা হয়ে উঠে আরো বেপরোয়া। সিন্ডিকেট করে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে যাত্রীদের কাছ থেকে। আসন্ন ঈদ উল আযহা’কে কেন্দ্র করে লঞ্চঘাটে ভিড় করছে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত যাত্রীরা। একজন যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, ঘাট থেকে তার বাড়ি লুধুয়া যাওয়ার জন্য একজন অটোরিকশা চালকরা ৪০০ টাকা ভাড়া হাঁকান।

যেখানে ভাড়া সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। ষাটনল থেকে ছেঙ্গারচর বাজারে যেতে ১৫০ টাকা ভাড়া দাবি করতে দেখা যায় বিভিন্ন অটোরিকশা চালকদের। সন্ধ্যা পৌঁছানো একটি লঞ্চের যাত্রী জানান, এই ঘাট থেকে চলাচলকারী অটোরিকশা চালকরা সবসময় অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে যাত্রীদের জিম্মি করেন।

বিকল্প উপায় না থাকায় এই রুটের যাত্রীদের ভোগান্তি কমছেনা। ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে যাত্রী ভোগান্তি বন্ধে যে কোন আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর রনি। বিষয়টি সম্পর্কে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার একি মিত্র চাকমার সরকারি মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কলটি কেটে দেন।

তথ্য সূত্র : মতলব প্রতিদিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা