আজ সাঈদ আহমেদ টিপুর মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে তাঁর বন্ধু মহল ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। এতে পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও পরিচিতজনরা উপস্থিত থেকে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা জানান, সাঈদ আহমেদ টিপু ছিলেন অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের, লাজুক এবং মেধাবী একজন মানুষ। ছাত্রজীবনে তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা কমার্শিয়াল কলেজ-এর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি (সহসভাপতি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তৎকালীন এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে টিপু হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসী ভাড়া করে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।
সাঈদ আহমেদ টিপুর বড় ভাই আজিজ আহমেদ (জেনারেল আজিজ) এই হত্যা মামলার বাদী ছিলেন। সে সময় তিনি সেনাবাহিনীতে মেজর পদে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, এত উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি কখনও ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেননি। বরং তিনি দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইনি প্রক্রিয়ার ওপরই আস্থা রেখেছিলেন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, সময়ের ব্যবধানে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি আইনের আওতায় এসেছে এবং বিভিন্নভাবে শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে। তারা বলেন, শেষ পর্যন্ত স্রষ্টার বিচারের ওপরই মানুষের আস্থা থাকা উচিত।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা সাঈদ আহমেদ টিপুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।