June 24, 2026, 11:33 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

স্বামী প্রবাসে! স্ত্রীর পরকীয়া ও প্রতারণা ; প্রবাসী পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ!

মতলব উত্তর প্রতিনিধি:
Oplus_131072

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পশ্চিম পুটিয়ারপার গ্রামে ঘটে যাওয়া একটি পারিবারিক ঘটনার জেরে প্রবাসী সুজন মিয়া ও তার পরিবার চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রীর পরকীয়া, পরবর্তীতে পালিয়ে বিয়ে এবং একাধিক মামলা দায়ের—সব মিলিয়ে এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, পশ্চিম পুটিয়ারপারের বাসিন্দা সুরুজ মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩০), মালয়েশিয়া প্রবাসে কর্মরত। তার প্রথম স্ত্রী রিমা মারা যান কয়েক বছর আগে। সেই ঘরে রয়েছে একটি কন্যাসন্তান, সাবিহা আক্তার (৪)। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে পারিবারিক সিদ্ধান্তে রিমার ছোট বোন রিয়া আক্তারকে বিয়ে করেন তিনি। রিয়ার গ্রামের বাড়ি জামতলা, এখলাসপুর ইউনিয়নে। পিতার নাম আব্দুর রহমান।

বিয়ের কয়েক মাস পরই সুজন বিদেশে যান। এরপর তার স্ত্রী রিয়া পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ছেংগারচর পৌরসভার ছোট ঝিনাইয়া গ্রামের মো. রিপনের ছেলে এবং স্বামীর আপন ভাগিনা হৃদয়ের (২২) সঙ্গে।

সুজনের বক্তব্য মুঠোফোনে প্রবাস থেকে

“আমি বিয়ের পর স্বাভাবিক জীবন কাটাচ্ছিলাম। বিদেশে যাওয়ার পর হঠাৎ শুনি আমার স্ত্রী রিয়া আমার ভাগিনার সঙ্গে চলে গেছে। এরপর তারা বিয়েও করে। আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। এখন উল্টো আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। আমি এ ঘটনায় সুবিচার চাই।”

সুজনের মায়ের বক্তব্য “আমরা গরিব মানুষ, ছেলে বিদেশে থাকে, ওইখানে তার কাজকর্ম নেই, আমাদের সংসার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। বউমা আমাদের মান-ইজ্জত শেষ করে দিল। এখন থানায় গিয়ে উল্টো আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

সুজনের পিতার বক্তব্য“ মেয়ে হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, জামাই বিদেশে—এই সুযোগে ভাগিনার সাথে সম্পর্ক করে সংসার ভেঙে দিল। আমাদের শান্তি নষ্ট হইছে। এটার সুষ্ঠু বিচার দরকার।”

হৃদয় জানান (সুজনের ভাগিনা) “আমার সঙ্গে রিয়ার সম্পর্ক হয়েছিল এটা ঠিক। সে তখন বলছিল তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নেই। পরে ওর চাপে আমি বিয়েতে রাজি হই। এখন ও আমার বিরুদ্ধেও মামলা দিছে। আমিও ফাঁসতেছি।”

রিয়া আক্তারের জানান, “সুজন আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করত না, আমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করত। আমি বাধ্য হয়ে সম্পর্ক ভেঙেছি।”

স্থানীয় এক ইউপি সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মেয়েটি প্রথমে নিজের স্বামীর সংসার ভাঙে, পরে নিজের দ্বিতীয় সংসারও ভাঙে। এখন দুই পরিবারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছে। এলাকায় অনেকে জানে তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।”

ঘটনার ভুক্তভোগী পরিবার চায় দ্রুত এই হয়রানিমূলক মামলা ও মিথ্যা অভিযোগের সঠিক তদন্ত হোক। এলাকায় এই ঘটনা অন্যদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা