May 11, 2026, 9:11 pm
শিরোনামঃ
একাধিক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানার পর মতলব উত্তরে আটক মতলব উত্তরে চাঁদা দাবিতে হামলার অভিযোগে আদালতে মামলা খাদ্য, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার অবস্থা ভালো নেই, আমার এলাকার মানুষ খুবই অবহেলিত : এমপি কামরুল মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি সফিকুল, সম্পাদক সুমন মোংলা নদী পারাপারে ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসনের জরুরি বৈঠক আল্লাহ পাক মানুষকে কেন তাঁর খলিফা হিসেবে ঘোষণা করেছেন? আজকাল কিছু মানুষ মুখে মুসলমান দাবি করে, অথচ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নবুয়ত ও মহান চরিত্র নিয়ে বিতর্কীত প্রশ্ন তোলে? জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : জনগণের দৃষ্টিতে আদর্শ, সততা ও দেশমাতৃকার প্রতি নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতার যেন প্রতিচ্ছবি মতলবে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল জ্বালানি তেল জব্দ, ৪ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

মতলব উত্তরে ভূমি অফিসের অনলাইন সার্ভার বন্ধ ; জনদুর্ভোগ চরমে!

মতলব উত্তর প্রতিনিধি:
Oplus_131072

ভূমিসেবা সার্ভারে সমস্যার কারণে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) আদায় বন্ধ রয়েছে। একই সাথে বন্ধ রয়েছে জমির নামজারি ও পর্চার সেবা।

নামজারি ও খাজনা বন্ধ থাকায় জমি রেজিস্ট্রী করতে পারছেন না এলাকার লোকজন। সার্ভার বন্ধ থাকায় সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। খাজনা প্রদান ও নামজারি না হওয়ায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি হচ্ছে না বললেই চলে। এতে জনভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। জমি কেনাবেচা না করতে পেরে এই উপজেলার মানুষ নানাবিধ সংকটে পড়েছে। তবে খুব দ্রুত কার্যক্রম চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা ভূমি অফিস।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ২৬ নভেম্বর থেকে অনলাইনে ভূমিসেবা সার্ভারটি বন্ধ রয়েছে। ফলে জমির নামজারি, খাজনা আদায় ও অনলাইনে জমির পর্চার সেবা বন্ধ রয়েছে। এতেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষ। কবে নাগাদ কাটবে এই ভোগান্তি সেটিও বলতে পারছেন না কেউ।

উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার মফিজুল ইসলাম বলেন, সার্ভারের সমস্যার কারণে প্রায় এক মাস ধরে আমাদের জমির খাজনা দিতে পারছি না। খাজনা দিতে না পারায় জমি রেজিস্ট্রী করাও সম্ভব হচ্ছে না। খুবই সমস্যায় আছি।

উপজেলার ফরাজীকান্দি এলাকার আ. বাতেন বলেন, আমাদের কিছু জমি জরুরি বিক্রি করা দরকার। এর জন্য নামজারি করা প্রয়োজন। সার্ভারে সমস্যার কারণে নামজারি করতে পারছি না, তাই জমিও বিক্রি করতে পারছি না।

মতলব উত্তর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের দলিল লেখক তোফায়েল আহমেদ (রিপন মুক্তার) বলেন, হালনাগাদ খাজনার রশিদ ছাড়া দলিল রেজিস্ট্রী না হওয়ার কারণে জমির রেজিস্ট্রী অনেক কমে গেছে। আগে প্রতি সপ্তাহে যেখানে ৩০-৪৫টি দলিল রেজিস্ট্রী হতো। সেখানে এখন সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১০-১৫টি দলিল রেজিস্ট্রী হচ্ছে।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মাহবুবের রহমান ওয়াজেদ বলেন, অন্যান্য মাসের তুলনায় ডিসেম্বর মাসে দলিল রেজিস্ট্রী তুলনামূলক বেশি হয়। কিন্তু লোকজন জমির খাজনা দিতে না পারায় দলিল রেজিস্ট্রীর পরিমাণ কমেছে। কারণ, দলিল রেজিস্ট্রীর ক্ষেত্রে জমির হালনাগাদ খাজনার রশিদের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা বলেন, সফটওয়্যার আপগ্রেডেশনের জন্য ভূমিসেবা সার্ভারে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা