June 24, 2026, 11:37 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

একজন আদর্শবান ও অনুসরনীয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যার!

Reporter Name

পৃথিবীতে যুগে-যুগে, কালে-কালে কত মানবের জন্ম হয়েছে যারা একটা সময় আপন কর্মগুণে আদর্শ ও অনুসরনীয় মহামানব হয়ে উঠে।

পুরো নাম মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সর্বত্র সুপরিচিত মহন স্যার নামে। পিতা মোহাম্মদ আলী প্রধান ও মাতা ফজিলাতেন্নেছার ঘরে ১৯৬৯ সালের ১৯ জানুয়ারী চাঁদপুর জেলার বর্তমান মতলব উত্তর ধানাধীন সুলতানাবাদ ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামের এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় নিজ গ্রামের বিদ্যালয়ে এরপর মতলব জে.বি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেন বিজ্ঞান বিভাগ থেকে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সেখান থেকে ১৯৯০ সালে মানবিক বিভাগে বি.এ. পাস করেন। পরবর্তিতে ১৯৯৩/৯৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড. সম্পন্ন করেন বিজ্ঞান বিভাগে।

১৯৮৭ সালে মতলব দক্ষিণ উপজেলার লামচরী জুনিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে সহকারি শিক্ষক পদে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরবর্তিতে মতলব উত্তর সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার সুনিপুন কর্মপরিকল্পনা ও দায়িত্শীলতার কারণে জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে একটি সম্মানজনক অবস্থান সৃষ্টি করেছে।

কর্মজীবনে শিক্ষকতাকে বেছে নেন। আপন কর্মগুণে হয়ে উঠেছেন একজন মহান শিক্ষক। আমার কাছে তিনি একজন মহান অনুকরণ আর অনুসরনীয় শিক্ষক। একজন আদর্শবান শিক্ষকের যতগুলো সৎগুণ থাকা প্রয়োজন মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মাঝে তার সবগুলো স্পষ্টরুপে বিরাজমান।

একজন শিক্ষক তখনই মহান হয়ে উঠে যখন সে তার মাঝে থাকা সৎগুণগুলো তাঁর ছাত্রদের মাঝে নির্লোভ ভাবে বিলিয়ে দিতে পারে, আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস মনিরুজ্জামান মহন স্যার সেই কাজটি অনেক আগেই সম্পন্ন করতে পেরেছেন। নিজের স্বার্থকে পেছনে রেখে প্রতিষ্ঠান আর ছাত্রদের ভালবেসে কাজ করে গেছেন নিরবে নির্ভৃতে। নিন্দুকের নিন্দা আর স্বার্থপর সমালোচনাকারীদের সমালোচনাকে দু’পায়ে মাড়িয়ে তিনি হেটে গেছেন আপনার মাঝে বসত করা সত্ত্বার ডাকে সাড়া দিয়ে। কখনও সামনে এসে দাড়িয়েছে বিক্ষুব্ধ ঝঞ্ঝা, কখনও বা পথ আগলে দাড়িয়েছে হরকা বাঁন, তবুও যেন পা ফঁসকে যায়নি এই দৃঢ় চেতনার মানব হৃদয়। কত আঘাত কত প্রতিঘাত তারপরও আগলে রেখেছেন জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে আপন সন্তানের মতো করে। সেই সাথে আগলে রেখেছেন এই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ অন্যান্য সকলকে পরম মমতায় বুক বেঁধে। আজ জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় শুধু চাঁদপুর বা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে নয়, বরং আমি বলবো সারাদেশের সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে দাড়ানোর মতো সাহস ও যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর এসব অর্জনে জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

একজন আদর্শবান পিতা যেমন তার সন্তানদের সুসন্তান হিসাবে গড়ে তুলতে পারে তেমনি একজন আদর্শবান শিক্ষকও পারে তার ছাত্রছাত্রীদের সুনাগরিক হিসাবে তৈরি করতে। মনিরুজ্জামান মহন স্যার সেই দুঃসাধ্য কাজটি করার মতো মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের বহু কৃতিত্ববান ছাত্রছাত্রীদের কর্মের মধ্য দিয়ে। যদিও বর্তমান সময়ে দাড়িয়ে আমার অনেক সুহৃদ বন্ধুগণ সেটা অকৃতজ্ঞ চিত্তে অস্বীকার করে বলবে, এটা তার একক কর্মের ফল। কিন্তু এই কথা হয়ত তার জানা নেই যে বাগানে মালী ভাল কাজ করে না, সেই বলে ভাল ফুল ফুটে না। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ে একজন সুদক্ষ মানুষগড়ার কারিগরের পদধূলীর কারণে সেই বাগান থেকে দেশ সেরা অনেকগুলো ফুল আপন কর্মগুণে প্রস্ফুটিত হয়েছে। চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় বহু পুরাণো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে কিন্তু এক বাক্যে বলতে হবে এত কম সময়ে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনামের খাতায় নিজের অস্থিত্বের জানান দিতে পারেনি, যতটা না দিয়েছে হাজী মইনউদ্দিন আহমেদ (টুনু হাজী)-এর প্রতিষ্ঠিত জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় আর এই কাজে অগ্রপথিকের ভূমিকায় ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহোদয়। আমি জানি আমার লেখা পড়ে অনেক বন্ধু-স্বজনগণ আমার সাথে একমত পোষন করতে ব্যর্থ হবেন, কারণ তাদের মাঝে হয়ত এখনও ইতিবাচক মানসিকতা অবর্তমান। আর তাই তারা আমার আজকের লেখার সাথে দ্বিমত করে নিজের অহমিকার জানান দিতে চাইবেন।

আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, সব শিক্ষক যেমন শিক্ষক নয়,তেমনি কেউ কেউ আছে যারা এই শিক্ষক শব্দটাকে আপন কর্মগুণে এতটা সম্মানের অবস্থায় নিয়ে গেছেন, যে তাদের দেখলে অবনত মস্তকে সম্মান জানাতে হয়।

মনিরুজ্জামান মহন স্যার মহাকালের আবর্তনে তেমনি একজন শিক্ষক হয়ে উঠতে পেরেছেন। আমার আজকের মূল্যায়নকে আপনিও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একবার খুঁজে দেখবেন কথাগুলো কতটা হৃদয়গ্রাহী আর সত্য।

একজন মানুষ যখন শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করে, তখন তাকে সেটা পেশা নয় বরং আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করা উচিত বলে বিশ্বাস করি। শিক্ষক যখন তার পেশাকে আদর্শ হিসাবে মেনে চলবে তখন তাঁর চারপাশের মানুষজনের কাছে সে হয়ে উঠবে একজন সত্যিকারের আদর্শিক মানুষ। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহোদয় তেমনিভাবে নিজেকে পেশার গণ্ডিতে বন্ধি করে রাখেননি বরং পেশা থেকে বের হয়ে তাকে আদর্শ হিসাবে মেনে চলার পথ বেছে নিয়েছেন। আর তাই তো তিনি সময়ের আঙিনা পেরিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পেরেছেন একজন আদর্শবান শিক্ষক হিসাবে। আমি যতটা জানি মনিরুজ্জামান মহন স্যার আমাদের কুমিল্লা শিক্ষাঞ্চলের সময়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মানীত ওয়ালীউল্লাহ স্যারের ছাত্র ছিলেন। যার শিক্ষক হয় সময়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক তাঁর ছাত্র কি করে সেই সময়ের ডাকে সারা দিয়ে সেরাদের পথে হাটবে না, এটা তো সম্ভব নয়।

একজন আদর্শবান শিক্ষকের মাঝে যেসব গুণাবলি থাকা উচিত আমি একজন মানুষ হিসাব তার সবগুলো গুণ খুঁজে পেয়েছি প্রিয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মাঝে।

জন অ্যাডামস শিক্ষককে “Maker of Man” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, “শিক্ষক হলেন জাতির আলোকবর্তিকাবাহী এবং মানবজাতির ভবিষ্যৎ রূপকার।”

আধুনিক শিশুকেন্দ্রিক  শিক্ষায় শিক্ষকের ভূমিকা গৌণ হলেও শিক্ষকের সাহায্য ছাড়া কোনো শিক্ষা- সম্ভব নয়। যে-কোনো  শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করতে হলে চাই আদর্শ শিক্ষক। আদর্শ শিক্ষক হতে গেলে কতকগুলো বিশেষ গুণ থাকা প্রয়োজন, আজ আমি আপনাদের সাথে তেমনি একজন প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মাঝে থাকা আদর্শগত গুণাবলি নিয়ে কথা বলার সচেতন চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা জানি একজন আদর্শ শিক্ষকের গুণগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যা আমার শিক্ষা জীবনে প্রিয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যারের চারিত্রিক বৈশিষ্টে খুঁজে পেয়েছি। আমার দৃষ্টিতে একজন আদর্শবান ও অনুসরণীয় শিক্ষক হিসাবে সেসব বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস প্রিয় শিক্ষাগুরুকে নিয়ে আমার এই লেখা মুল্যায়নটুকু যথাযথ হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করবে।

  • ব্যক্তিগত গুণাবলি

একজন আদর্শ শিক্ষকের যেসকল ব্যক্তিগত গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার মধ্যে যে সকল গুণাবলি আমি জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার-এর চরিত্রে খুঁজে পেয়েছি তা হলো:

(i) চরিত্রবান : একজন আদর্শ শিক্ষক সর্বসময় চরিত্রবান হয়ে থাকে। তিনি আদর্শের প্রতীক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি একজন চরিত্রবান মানুষ হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলে সেই আদর্শ ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরনে সফলতা অর্জন করেছেন।

এই প্রসঙ্গে ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদেএকটি উক্তি বলা যেতে পারে, “Their (Teacher) own character should be such that there is no difference between what they say and do.” অর্থাৎ, তাদের চরিত্রে, কথায় ও কাজে কোনো পার্থক্য থাকবে না।

(ii) দায়িত্বশীল : ব্যক্তিগত গুণাবলির মধ্যে একজন আদর্শবান শিক্ষক হবেন দায়িত্বশীল। শিক্ষকের ব্যক্তিগত আচার-আচরণ শিক্ষার্থীদের মনের ওপর গভীর রেখাপাত করে। শিক্ষক দায়িত্বের সঙ্গে শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত কাজগুলো করে থাকেন। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসাবে নিজের কর্মগুণে বিদ্যালয় ও নিজের দায়িত্বশীলতার যথাযথ প্রমাণ করতে পেরেছেন।

(iii) ব্যক্তিত্বের অধিকারী : আদর্শ শিক্ষক হবেন সুব্যক্তিত্বের অধিকারী আর জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসাবে নিজের কর্মগুণ তৈরি করে নিজেকে আদর্শ শিক্ষক হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন। শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর আচরণ সবসময় প্রীতিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মেলামেশা করে থাকেন। তাঁর ব্যক্তিত্বের মাধুর্যে শিক্ষার্থীরা ও সমাজ তাঁর প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়।

(iv) নিয়মানুবর্তিতা : একজন আদর্শ শিক্ষক তাঁর প্রতিটি কাজেই নিয়মানুবর্তিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে থাকে যা আমরা জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার চরিত্রে দেখতে পাই। তাঁর এই নিয়মানুবর্তিতাবোধ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে প্রতিফলন দেখা যায়।

(v) সুস্বাস্থ্যের অধিকারী : একজন আদর্শ শিক্ষক সবসময় সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ, তিনি যতটা সম্ভব নীরোগ শরীরের অধিকারী হয়ে থাকেন। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি একজন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষ হিসাবে যেমন কাজে উৎসাহিত হয়ে কাজ করে থাকেন, তেমনি অন্যদের কাজের প্রতি উৎসাহ দিয়ে থাকেন। এর জন্য তিনি যথাযথ নিয়মানুবর্তিকা মেনে চলেন।

(vi) প্রগতিশীলতা : জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবসময় তাঁর চিন্তায় এবং আচরণে প্রগতিশীল। তার দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট উদার ও ব্যাপকতা রয়েছে,যার কারণে স্বল্প সময়ে জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়টি অত্র অঞ্চলে বেশ সুনাম অর্জন করতে পেরেছেন। যা খুবই আশাবাদী হিসাবে উল্লেখ্য করা যেতে পারে।

(vii) ধৈর্যশীল : একজন আদর্শ শিক্ষক সবসময় ধৈর্যশীল হয়ে থাকেন যা আমরা জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের একটি সৎগুণের মাঝে খুঁজে পাই। ধৈর্য ধরে তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে থাকেন। তাঁর এই ধৈর্যশীলতাই সকল শিক্ষার্থীকে শিক্ষাগ্রহণে উৎসাহিত করে আর যাতে করে এই বিদ্যালয়টিকে শিক্ষাগ্রহণের হার বৃদ্ধিতে সহায়ক করেছে।

(viii) ন্যায়-নিরপেক্ষ : আদর্শ শিক্ষক সবসময় ন্যায় ও নিরপেক্ষ গুণের অধিকারী হয়ে থাকে। তিনি সকল শিক্ষার্থীর কাছে সমান। কারও প্রতি তিনি পক্ষপাতিত্ব করে না। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের চারিত্রিক বৈশিষ্টের মধ্যে আমি সবসময় এই অসাধারণ গুণটি দেখতে পাই তিনি ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের সাথে যথাযথভাবে ন্যায় ও নিরপেক্ষ আচরণ বজায় রেখে অনুসরনীয় শিক্ষক হয়ে উঠতে পেরেছেন।

(ix) সুবিবেচক : আদর্শবাদ শিক্ষক সবসময় তার কর্মে সুবিবেচক হয়ে থাকেন। যার মধ্যে থাকবে প্রবণতা, ধৈর্য, সহানুভূতি, সহযোগিতা প্রভৃতি। তিনি যেসকল কাজ করেন তা বিচক্ষণতার সঙ্গে করে থাকেন। মনিরুজ্জামান মহন স্যারের বহু গুণের মধ্যে এই সৎগুণটি সবসময় খুঁজে পাই যা আমাকে মুগ্ধ করে।

(x) মানসিক স্বাস্থ্যসম্পন্ন : শিক্ষক মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন। তাঁর মধ্যে ক্ষোভিক ভারসাম্য থাকবে। তিনি রাগ, অস্থিরচিত্ত, খামখেয়ালি এইসকল সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন। আমার প্রিয় শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি একজন মানসিক স্বাস্থ্যসম্পন্ন মানুষ হিসাবে নিজেকে উপস্থাপনে সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি প্রয়োজনে রাগী আবার মোমের মানুষ হিসাবেও মানুষের মন জায়গা করে নিতে পেরেছেন। যা একটি অতুলনীয় গুণের বৈশিষ্ট হিসাবে বলা যায়।

(xi) ছাত্রপ্রেমী : আদর্শ শিক্ষক সর্বসময় ছাত্রপ্রেমী গুণের অধিকারী হয়ে থাকেন যা আমি আমার প্রিয় শিক্ষকের মাঝে তা খুঁজে পেয়েছি। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি ভাবে শিক্ষার্থীর বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক হিসাবে কাজ করে থাকেন।

(xii) পেশার প্রতি ভালোবাসা : একজন শিক্ষক প্রথমে শিক্ষক হবেন এবং শেষেও শিক্ষক থাকবেন। অর্থাৎ, তাঁর পেশার প্রতি সবসময় ভালোবাসা থাকবে। যা আমি আমার প্রিয় শিক্ষাগুরুর চারিত্রিক বৈশিষ্টের মাঝে দেখতে পাই। তিনি সবসময় শিক্ষকতা পেশার সম্মান বজায় রেখে কাজ করে গেছেন কেউ কখনও তাঁর পেশার দিকে কটাক্ষের দৃষ্টিতে দৃষ্টিপাত করুক এটা থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করে গেছেন।

(xiii) নৈর্ব্যক্তিকতা : আদর্শ শিক্ষকের ব্যক্তিগত একটি বিশেষ গুণ হল নৈর্ব্যক্তিকতা। শিক্ষকের কোনো বিশেষ শিক্ষার্থীর, বিশেষ দল বা বিশেষ মতবাদের ওপর তাঁর পক্ষপাতিত্ব থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের চরিত্রে এই গুণটি আমাকে সবসময় আকৃষ্ট করে। তিনি সবসময় আপন কর্ম, বিদ্যালয়, সহকর্মী ও ছাত্রদের কথা চিন্তা করে নিরন্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যা দেখে যেকোন মানুষকে মুগ্ধ করবে।

(xiv) উন্নত জীবনাদর্শ : একজন আদর্শ শিক্ষকের উন্নত জীবনাদর্শ থাকা অধিক প্রয়োজন। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার শিক্ষকতাকে কেবল বৃত্তি হিসাবেই গ্রহণ করেননি বরং তিনি আপন পেশাকে ব্রত হিসাবে বিদ্যাদান কর্তব্য মনে করে থাকেন।

এই প্রসঙ্গে Roofinae একটি উক্তি বলা যেতে পারে, “The teacher is like the candle which lights others in consuming itself.”

(xv) জ্ঞানপিপাসু : আদর্শবাদ শিক্ষককের প্রথম ও প্রধান কর্ম হবে জ্ঞানপিপাসু মনোভাব। তিনি সারাজীবন ধরে জ্ঞান আহরণে সচেষ্ট থাকেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান অর্জনে উৎসাহিত করে। আমার প্রিয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যারের ব্যক্তিগত বৈশিষ্টের মধ্যে আমি সবসময় এই গুণটি খুঁজে পাই যা আমাকে চুম্বকের মতো আকর্ষন করে থাকে।

  • পেশাগত গুণাবলি

একজন আদর্শ শিক্ষকের মাঝে যেসকল পেশাগত গুণাবলি থাকা দরকার, প্রিয় শিক্ষাগুরু জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মাঝে সেসব গুণাবলি খুঁজতে গিয়ে আমি খুঁজে পেয়েছি কিছু অসাধারণ গুণ আর তা হলো :

(i) বিষয়বস্তুর জ্ঞান : একজন আদর্শ শিক্ষকের মাঝে শিক্ষণীয় বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। শিক্ষকতা বৃত্তিতে সফল হতে হলে শিক্ষককে নিয়মিত জ্ঞানচর্চা করতে হয়,যা আমি প্রিয় শিক্ষাগুরুর মাঝে খুঁজে পাই।

(ii) মনোবিদ্যার জ্ঞান : শিক্ষকের মধ্যে শিশু-মনোবিদ্যার জ্ঞান থাকাটা জরুরি। শিশুর বিকাশ এবং তৎ-সংক্রান্ত সমস্যাবলির সম্পর্কে জানতে শিশু-মনোবিদ্যা বিশেষভাবে সাহায্য করে। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে যার কারণে তিনি ছোট ছোট বাচ্চঅ থেকে কিশোর ছাত্রদের সাথে কাউন্সিলিং করে তাদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগি ও মনযোগ বাড়িয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন করে সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।

(iii) শিক্ষণ পদ্ধতির জ্ঞান : শিক্ষকের শুধু বিষয়বস্তুর জ্ঞান থাকলেই চলে না, সেই জ্ঞান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই শিক্ষা কীভাবে সঞ্চালিত করা যাবে সেই সম্পর্কে শিক্ষকের যথেষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার এই বিষয়টি যথেষ্ট অভিজ্ঞ হিসাবে কর্মগুণে প্রমাণ দিতে পেরেছেন।

(iv) শিক্ষাপোকরণ ব্যবহার সম্পর্কে জ্ঞান : শিক্ষকরা বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপোকরণ ব্যবহার করে থাকে শিক্ষণ শিখন পদ্ধতিকে সজীব ও সার্থক করে তোলে। তাই শিক্ষকের বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপোকরণ যেমন – চার্ট, চিত্র, ম্যাপ, প্রাফ, দৃষ্টি ও শ্রুতিনির্ভর প্রভৃতির ব্যবহারকৌশল-এর জ্ঞান থাকা দরকার। মনিরুজ্জামান মহন স্যার এই বিষয়ে বেশ অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি যখন বিজ্ঞান,গণিত ও ভূগোল বিষয়ে শিক্ষা দান করেন তখন একজন অতিসাধারণ মানের ছাত্রও তা থেকে যথাযথভাবে জ্ঞান আহরণে সক্ষম হয়। যা অতি প্রশংসনীয় একটি গুণ।

(v) মূল্যায়ন সম্পর্কিত জ্ঞান : শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় পারদর্শিতার অগ্রগতি পরিমাপের জন্য বর্তমানে বিদ্যালয়ে পরীক্ষা গ্রহণের রীতির অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। প্রচলিত বা গতানুগতিক রচনাধর্মী পরীক্ষার পরিবর্তে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কীভাবে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সার্বিক পরিচয়লিপি তৈরি করতে হয় সে সম্পর্কে শিক্ষকের জ্ঞান থাকা দরকার। যা প্রিয় শিক্ষাগুরু মাঝে সবসময় খুঁজে পেয়েছি। তিনি সবসময় নিত্যনতুন বিষয়কে সাধরে গ্রহণ করে তা উন্নত মানসিকতা নিয়ে ছাত্রদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর থেকে কাজ করে যাচ্ছেন,এবং আধুনিকতার সকল উপাদান ব্যবহারে অত্যান্ত দক্ষতা ও পারদর্শিতা পরিচয় দিয়ে গেছেন।

(vi) সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি পরিচালনা : শিক্ষার্থীর বৌদ্ধিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক বিকাশ ঘটাতে গেলে প্রয়োজন সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি। তাই সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি পরিচালনায়  প্রিয় শিক্ষাগুরু জ্ঞানের গভীরতা অত্যান্ত সুপরিকল্পিত ও সময়োপযোগি।

(vii) বিদ্যালয় পরিচালনার জ্ঞান : একজন আদর্শ শিক্ষকের পেশাগত গুণ হিসাবে পেশাগত নিয়মকানুন যেমন জানা দরকার তেমনি বিদ্যালয় সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য পরিচালন-সংক্রান্ত জ্ঞান থাকা দরকার। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যারের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার পরিচয় সবসময় আমরা দেখেছি যার ধরুন খুব অল্প সময়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে একটি সুনামধন্য বিধ্যালয় হিসাবে অত্র প্রতিষ্ঠানটি নাম করতে পেরেছে।

(viii) গবেষণামূলক মনোভাব : একজন আদর্শ শিক্ষকের একটি অন্যতম পেশাগত গুণ হল তার গবেষণামূলক মনোভাব বা পরীক্ষামূলক মনোভাব। আমার শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান সহন স্যারের মাঝে আমি এই গুণটি খুঁজে পেয়েছি তিনি যে-কোনো বিষয় নিয়ে নিজে অত্যান্ত সচেতণভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখেন এবং পরবর্তিতে সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে থাকে।

(ix) প্রশ্নকরণের দক্ষতা : একজন আদর্শ শিক্ষক হতে গেলে যথাযথ প্রশ্নকরণের দক্ষতা অর্জন করতে হয়। তিনি সঠিক প্রশ্ন সঠিকভাবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শ্রেণিকক্ষকে আরও গতিশীল করে তুলতে পারেন। যেটা সবসময় আমি মনিরুজ্জামান মহন স্যারের মাঝে দেখতে পেয়েছি এবং উপলদ্ধি করেছি।

  • নাগরিক গুণাবলি

একজন আদর্শ শিক্ষক হতে গেলে শুধু ব্যক্তিগত এবং পেশাগত গুণাবলি থাকলেই হয় না তাছাড়াও আরও কিছু নাগরিক গুণাবলি থাকাটা অত্যাবশ্যক ও জরুরি, এবারের আলোচনায় আমি প্রিয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যারের তুলে ধরার চেষ্টা করবো :

(i) সমাজসেবী : একজন আদর্শ শিক্ষক অবশ্যই সমাজসেবী হবেন। সামাজিক দায়দায়িত্ব পালন তার পক্ষে অতি আবশ্যিক কর্তব্য। তিনি শিক্ষার্থীদেরও সেবামূলক কাজে উৎসাহিত করবেন অর্থাৎ নিজে সেবামূলক মানসিকতা নিয়ে কাজ করবেন ও ছাত্রদের তাই শিক্ষা দিবেন। মনিরুজ্জামান মহন স্যার তেমনি মানসিকতা ধারণ করা একজন মানুষ যে কিনা তাঁর ছাত্রদের মানবিক ছাত্র হওয়ার উপদেশ দিয়ে থাকেন সবসময়।

(ii) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য : মনিরুজ্জামান মহন স্যারকে আমি দেখেছি তিনি একজন আদর্শবান শিক্ষক হিসাবে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য রেখে তাঁর দায়িত্ব পালণ করে যেতে। রাষ্ট্রের উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখে তিনি তার দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন।

(iii) নাগরিকের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা : শিক্ষক কেবল নিজে সুনাগরিক হবেন তা নয়, ছাত্রদেরও উপযুক্ত নাগরিক হিসাবে গঠন করার প্রয়াসী হতে হয়। এই অনন্যসাধারণ গুণটি আমি প্রিয় শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন স্যারের কাছে আমি খুঁজে পেয়েছি। আমি তাঁর সান্নিধ্যে থেকে দেখেছি তিনি একজন সুনাগরিক হিসাবে দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি যথেষ্ট সচেতন।

সুতরাং, একজন আদর্শ শিক্ষকের কর্মসফলতার জন্য এই তিন ধরনের গুণাবলি সমানভাবে প্রয়োজন,যা আমি প্রিয় শিক্ষাগুরুর চারিত্রিক বৈশিষ্টে খুঁজে পেয়েছি। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, শিক্ষকের যেমন কিছু গুণাবলি জন্মগত, তেমনি কিছু গুণাবলি অর্জিত। তাই বলা যায়, শিক্ষক যেমন জন্মায় তেমনি তৈরিও করা যায়। আমি বলি আমার শিক্ষাগুরু মনিরুজ্জামান মহন একজন জন্মগত সৎ গুণাবলির অধিকারী মানুষ। যার সান্নিধ্য পাওয়া পরম ভাগ্যের ব্যাপার। আমার মাধ্যমিক শিক্ষা জীবনের কিছুটা সময় প্রিয় এই মানুষটার সান্নিধ্যে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিলো, যার ধরুন এই মহান শিক্ষকের সম্পর্কে এই লেখা তৈরির জন্য কিছুটা দুঃসাহস নিয়ে এই কলম ধরা ও লেখা তৈরি করা।

উপরে উল্লেখিত গুণাবলীর আলোকে আমি সুদৃঢ়ভাবে বলতে পারি জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার সেসব গুণাবলী নিজের মাঝে সম্পূর্ণরুপে ধারণ ও লালণ করে। সেই সাথে একজন সুদক্ষ ও আদর্শবান শিক্ষক হওয়া মর্যাদা অর্জন করেছে। জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহন স্যার আমার দেখা একজন সময়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে আপন কর্মগুণে গুণি হয়ে উঠতে পেরেছেন।

আমি সবসময় মহান আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করি আল্লাহ পাক যেন আমার প্রিয় শিক্ষাগুরুকে সম্মানের সাথে নেক হায়াত দান করেন এবং সফলতার সাথে কর্মজীবন শেষ করে অবসর জীবনে যাওয়ার তৌফিক এনায়েত করেন। আমিন

 

লেখক :

আজম পাটোয়ারী

প্রকাশক

আরডিএম মিডিয়া এন্ড প্রকাশনী।

তারিখ : ৪/৮/২০২৪ ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা