August 10, 2026, 7:21 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর!

বাতায়ন২৪নিউজ বিজ্ঞান ডেস্ক :

বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। যা আমরা অনেকে ই সঠিকভাবে জানি না। তাই তো আজ সেসব বিজ্ঞানপ্রেমি মানুষগুলোর জন্য বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ট্রপোস্ফিয়ার: পৃথিবীর ঠিক উপরিতল থেকে প্রায় ১৮ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। যত উঁচুতে ওঠা যায়, তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায় (প্রতি হাজার কিমি.-তে ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এই স্তরেই ঝড়-ঝঞ্ঝা, মেঘ প্রভৃতি দুর্যোগ সৃষ্টি হয়।

ট্রপোপজ: ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের সীমানা নির্ধারক স্তর।

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে ১৮ কিমি উচ্চতার পর থেকে প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে, জলীয় বাষ্প থাকে না। একে শান্তমণ্ডল বলা হয়। এই স্তরের মধ্যেই ওজনস্তর অবস্থান করে।

স্ট্র্যাটোপজ: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এবং মেসোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

মেসোস্ফিয়ার: ভূপৃষ্ঠের ৫০ কিমি পর থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে পুনরায় তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং সর্বোচ্চ অংশে তাপমাত্রা -১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

মেসোপজ: মেসোস্ফিয়ার এবং আয়নোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

আয়নোস্ফিয়ার (থার্মোস্ফিয়ার): মেসোপজের ওপর থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরের মধ্যে আয়নীভূত গ্যাস রয়েছে, যা উল্কাপাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে ও বেতার সংযোগে সাহায্য করে। এখান থেকেই মরুজ্যোতির সৃষ্টি হয়। এই স্তরে বায়ুর উষ্ণতা ১২০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

এক্সোস্ফিয়ার: থার্মোস্ফিয়ারের ওপরে প্রায় ৭৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায় এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

ম্যাগনেটোস্ফিয়ার: এক্সোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের শেষ সীমা পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ১০,০০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা