May 10, 2026, 11:22 am
শিরোনামঃ
জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : জনগণের দৃষ্টিতে আদর্শ, সততা ও দেশমাতৃকার প্রতি নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতার যেন প্রতিচ্ছবি মতলবে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল জ্বালানি তেল জব্দ, ৪ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড মরহুম বেল্লাল হোসেন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কেমন জনপ্রতিনিধি চায় মতলব উত্তরের ১৪নং সুলতানাবাদ ইউনিয়নবাসী? আলেমদের নৈতিকতার অবক্ষয় নাকি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় ধ্বংসের পরিকল্পনা? জাটকা রক্ষায় মোহনপুর নৌ পুলিশের কঠোর অভিযান ; ৬০ মামলা, ১৬৬ জেলে গ্রেপ্তার; জব্দ কোটি মিটার কারেন্ট জাল করোনাকালীন সংকটে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব : মানবিকতা, সামরিক শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধের এক অনন্য অধ্যায়! আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে মায়ের আহাজারি ; মতলবে রিপন হত্যার এক মাস পরও অধরা আসামি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ক্যারিয়ার টক প্রোগ্রাম কোন ব্যক্তির চারিত্রিক অপরাধের দায় ইসলাম নেবে কেন?

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর!

বাতায়ন২৪নিউজ বিজ্ঞান ডেস্ক :

বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। যা আমরা অনেকে ই সঠিকভাবে জানি না। তাই তো আজ সেসব বিজ্ঞানপ্রেমি মানুষগুলোর জন্য বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ট্রপোস্ফিয়ার: পৃথিবীর ঠিক উপরিতল থেকে প্রায় ১৮ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। যত উঁচুতে ওঠা যায়, তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায় (প্রতি হাজার কিমি.-তে ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এই স্তরেই ঝড়-ঝঞ্ঝা, মেঘ প্রভৃতি দুর্যোগ সৃষ্টি হয়।

ট্রপোপজ: ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের সীমানা নির্ধারক স্তর।

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে ১৮ কিমি উচ্চতার পর থেকে প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে, জলীয় বাষ্প থাকে না। একে শান্তমণ্ডল বলা হয়। এই স্তরের মধ্যেই ওজনস্তর অবস্থান করে।

স্ট্র্যাটোপজ: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এবং মেসোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

মেসোস্ফিয়ার: ভূপৃষ্ঠের ৫০ কিমি পর থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে পুনরায় তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং সর্বোচ্চ অংশে তাপমাত্রা -১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

মেসোপজ: মেসোস্ফিয়ার এবং আয়নোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

আয়নোস্ফিয়ার (থার্মোস্ফিয়ার): মেসোপজের ওপর থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরের মধ্যে আয়নীভূত গ্যাস রয়েছে, যা উল্কাপাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে ও বেতার সংযোগে সাহায্য করে। এখান থেকেই মরুজ্যোতির সৃষ্টি হয়। এই স্তরে বায়ুর উষ্ণতা ১২০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

এক্সোস্ফিয়ার: থার্মোস্ফিয়ারের ওপরে প্রায় ৭৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায় এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

ম্যাগনেটোস্ফিয়ার: এক্সোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের শেষ সীমা পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ১০,০০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা