June 24, 2026, 6:02 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর!

বাতায়ন২৪নিউজ বিজ্ঞান ডেস্ক :

বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। যা আমরা অনেকে ই সঠিকভাবে জানি না। তাই তো আজ সেসব বিজ্ঞানপ্রেমি মানুষগুলোর জন্য বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ট্রপোস্ফিয়ার: পৃথিবীর ঠিক উপরিতল থেকে প্রায় ১৮ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। যত উঁচুতে ওঠা যায়, তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায় (প্রতি হাজার কিমি.-তে ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এই স্তরেই ঝড়-ঝঞ্ঝা, মেঘ প্রভৃতি দুর্যোগ সৃষ্টি হয়।

ট্রপোপজ: ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের সীমানা নির্ধারক স্তর।

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে ১৮ কিমি উচ্চতার পর থেকে প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে, জলীয় বাষ্প থাকে না। একে শান্তমণ্ডল বলা হয়। এই স্তরের মধ্যেই ওজনস্তর অবস্থান করে।

স্ট্র্যাটোপজ: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এবং মেসোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

মেসোস্ফিয়ার: ভূপৃষ্ঠের ৫০ কিমি পর থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে পুনরায় তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং সর্বোচ্চ অংশে তাপমাত্রা -১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

মেসোপজ: মেসোস্ফিয়ার এবং আয়নোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারক স্তর।

আয়নোস্ফিয়ার (থার্মোস্ফিয়ার): মেসোপজের ওপর থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরের মধ্যে আয়নীভূত গ্যাস রয়েছে, যা উল্কাপাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে ও বেতার সংযোগে সাহায্য করে। এখান থেকেই মরুজ্যোতির সৃষ্টি হয়। এই স্তরে বায়ুর উষ্ণতা ১২০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

এক্সোস্ফিয়ার: থার্মোস্ফিয়ারের ওপরে প্রায় ৭৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায় এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

ম্যাগনেটোস্ফিয়ার: এক্সোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের শেষ সীমা পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ১০,০০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা