June 25, 2026, 4:08 pm
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার সময়ের আলোকে জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : এক পুনর্মূল্যায়নের আলোচনা নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইমামপুর ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফাইনালে কেশাইরকান্দি ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব মতলব-গজারিয়া সেতুর অর্থায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, জমি অধিগ্রহণে ১২ কোটি টাকা অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে মতলব উত্তরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সুন্দরবনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চক্রে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি কোটচাঁদপুরে মানবপাচার রোধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সমন্বয় সভা মতলব উত্তরে পরকীয়ার সন্দেহে শুরু বিরোধ, শ্বশুর-স্ত্রীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ স্বামীর

মোংলায় চলছে ১০ দিন ব্যাপী মেছেরশাহ (রহঃ) এর বার্ষিক মেলা

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ

‎বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নে অবস্থিত শত বছরের পুরোনো পবিত্র রওজা হযরত মেছেরশাহ (রহ.)–এর বার্ষিক ওরস ও ঐতিহ্যবাহী মেলা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ওরস ও মেলার উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি হযরত মেছেরশাহ (রহ.)–এর অলৌকিকতা ও মানবসেবার কথা শুনে আসছেন। তিনি ছিলেন একজন সাদামাটা, নিরহংকার মানুষ, যিনি সারাজীবন আল্লাহর ইবাদত ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। এই রওজায় এসে মানুষ মানত করে উপকার পায় বলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত ও আশেকানরা এখানে ছুটে আসেন।

‎তিনি আরও বলেন, এটি একটি পবিত্র রওজা। এখানে কোনো প্রকার মাদক, গাঁজা বা অসামাজিক কার্যকলাপের সুযোগ নেই। পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। এই ওরস ও মেলা আগামী ১০ দিন ধরে চলবে।

‎মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় নানা ধরনের দোকান বসেছে—মিষ্টির দোকান, কসমেটিকস, খাট-পালং, শিশুদের খেলনা, চরক গাছসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। শিশুদের জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ।

‎রাতে রওজা প্রাঙ্গণে ভক্তরা জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নিচ্ছেন। ভক্ত নজরুল ইসলাম বলেন, “এই দরবারে আসলে মন ও আত্মার শান্তি পাই। এখানে এলে হৃদয়ের অশান্তি দূর হয়ে যায়।”

‎স্থানীয়দের মতে, এই ওরস ও মেলা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি এলাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। প্রতিবছর এই মেলাকে ঘিরে ধর্মপ্রাণ মানুষের মিলনমেলা ঘটে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

‎উল্লেখ্য, বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নে অবস্থিত এই পবিত্র রওজাটি বহু বছর ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা