August 10, 2026, 7:30 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

মোংলায় চলছে ১০ দিন ব্যাপী মেছেরশাহ (রহঃ) এর বার্ষিক মেলা

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ

‎বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নে অবস্থিত শত বছরের পুরোনো পবিত্র রওজা হযরত মেছেরশাহ (রহ.)–এর বার্ষিক ওরস ও ঐতিহ্যবাহী মেলা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ওরস ও মেলার উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি হযরত মেছেরশাহ (রহ.)–এর অলৌকিকতা ও মানবসেবার কথা শুনে আসছেন। তিনি ছিলেন একজন সাদামাটা, নিরহংকার মানুষ, যিনি সারাজীবন আল্লাহর ইবাদত ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। এই রওজায় এসে মানুষ মানত করে উপকার পায় বলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত ও আশেকানরা এখানে ছুটে আসেন।

‎তিনি আরও বলেন, এটি একটি পবিত্র রওজা। এখানে কোনো প্রকার মাদক, গাঁজা বা অসামাজিক কার্যকলাপের সুযোগ নেই। পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। এই ওরস ও মেলা আগামী ১০ দিন ধরে চলবে।

‎মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় নানা ধরনের দোকান বসেছে—মিষ্টির দোকান, কসমেটিকস, খাট-পালং, শিশুদের খেলনা, চরক গাছসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। শিশুদের জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ।

‎রাতে রওজা প্রাঙ্গণে ভক্তরা জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নিচ্ছেন। ভক্ত নজরুল ইসলাম বলেন, “এই দরবারে আসলে মন ও আত্মার শান্তি পাই। এখানে এলে হৃদয়ের অশান্তি দূর হয়ে যায়।”

‎স্থানীয়দের মতে, এই ওরস ও মেলা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি এলাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। প্রতিবছর এই মেলাকে ঘিরে ধর্মপ্রাণ মানুষের মিলনমেলা ঘটে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

‎উল্লেখ্য, বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নে অবস্থিত এই পবিত্র রওজাটি বহু বছর ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা