গতকাল রাতে রাজধানীতে থার্টিফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে শিশুসহ পাঁচ জন দগ্ধ এবং বহু নিরিহ পাখির মৃত্যু হয়েছে। যদিও বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিষিদ্ধ করা ছিলো।
৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়। দগ্ধরা হলেন- ফারহান (৮), সিফান মল্লিক (১২), সুমাত (২০), সেন্টু (৪৫) ও তফসির (৩)।
আজ বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, নববর্ষে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে শিশুসহ পাঁচ জন দগ্ধ হয়েছেন। পরে তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এদের মধ্যে ফারহানের দেহের ১৫ শতাংশ, সিফান মল্লিকের ১ শতাংশ, সুমাতের ১ শতাংশ, সেন্টুর ২ শতাংশ ও তফসিরের দেহের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় ফারহানকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে রাতের বেলায় অতিরিক্ত আতশবাজির কারণে, নিরিহ পাখিরা ভয়ার্ত হয়ে আকাশে উড়াউড়ি করার ফলে তারা মৃত্যুবরণ করেছে। যদি এই বিষয়ে পূর্বের ন্যায় ডিএমপি’র পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করেছে। তবে সেসব উপক্ষা করে থার্টিফাস্ট নাইটের নামে করা আতশবাজির ফলে এসব নিরিহ পাখির মৃত্য হয়। যা পরিবেশ ও পরিস্থিতির জন্য হুমকি বলে মনে করেন,বিশেষজ্ঞগণ।