October 27, 2026, 3:22 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

মতলব উত্তরে বসন্তের রঙে রাঙা শিমুল ফুল, মুগ্ধ পথচারী

মমিনুল ইসলাম, মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
Oplus_16908288

শীত বিদায় নিয়ে প্রকৃতিতে এখন ঋতুরাজ বসন্তের আবাহন। আর বসন্তের আগমনী বার্তা জানাতে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গ্রামজুড়ে ফুটেছে লাল টুকটুকে শিমুল ফুল। গাছভর্তি ফুল যেন আকাশে ডানা মেলেছে এমন দৃশ্য আকৃষ্ট করছে পথচারী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠজুড়ে সবুজ ফসল আর চারপাশে মৃদুমন্দ বাতাসে ভেসে আসছে ফুলের ঘ্রাণ। কোথাও গাঢ় লাল, কোথাও কমলা কিংবা হলুদ আভা, প্রকৃতির রঙের এই বৈচিত্র্য জানান দিচ্ছে বসন্তের পূর্ণ উপস্থিতি। মৌমাছির গুঞ্জন, পাখির কলকাকলি আর কোকিলের কুহুতানে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল।

চাঁদপুর জেলার এ উপজেলার প্রায় সব গ্রামেই এখন শিমুল ফুলের এমন মনোরম দৃশ্য চোখে পড়ছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, একসময় গ্রামের রাস্তার ধারে, পতিত ভিটা ও বাড়ির আঙিনায় প্রচুর শিমুল গাছ দেখা গেলেও বর্তমানে তা অনেক কমে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শীত শেষে শিমুল গাছের পাতা ঝরে পড়ে এবং বসন্তের শুরুতেই ফুল ফোটে। পরে সেই ফুল থেকে ফল হয়, যা চৈত্রের শেষদিকে পুষ্ট হয়ে বৈশাখে শুকিয়ে ফেটে যায়। তখন তুলার মতো বীজ বাতাসে ভেসে দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে নতুন গাছ জন্ম দেয়। শিমুল গাছের ছাল, পাতা ও ফুল গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এবং গাছের বিভিন্ন অংশে রয়েছে ভেষজগুণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আগের তুলনায় এখন মানুষ নানা কারণে শিমুল গাছ কেটে ফেলছে। অতীতে প্যাকিং বাক্স, ইটভাটার জ্বালানি ও দিয়াশলাই কাঠি তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও সে তুলনায় নতুন করে গাছ লাগানো হয়নি, ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে এই গাছ।

ছেংগারচর পৌরসভা এলাকার দেওয়ানজীকান্দি গ্রামের দর্শনার্থী হাসিবুল ইসলাম শান্ত বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাশিমপুর এলাকার শিমুল ফুলের ছবি দেখে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তার ভাষায়, জায়গাটা খুবই সুন্দর, প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য দারুণ।

অন্যদিকে বাংলাবাজার থেকে আসা দর্শনার্থী আমেনা আক্তার জানান, ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র এলাকায় থাকা দুটি শিমুল গাছের ফুল দেখতে প্রতিদিন অনেক মানুষ ভিড় করছেন, বিশেষ করে বিকেলে দর্শনার্থী বেশি থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় শিমুল গাছ সংরক্ষণ জরুরি। পরিকল্পিতভাবে রোপণ ও সংরক্ষণ করা হলে বসন্তের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা