July 15, 2026, 10:22 pm
শিরোনামঃ
ছেংগারচর পৌরসভার ৩১ কোটি ৮২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা মতলব উত্তরে শুরু কৃষক কার্ড কার্যক্রম, ডিজিটাল ডেটাবেজে যুক্ত হচ্ছেন কৃষকরা মতলব উত্তরে পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ; প্রবাসী বাবার অপেক্ষায় আরিয়ানের দাফন সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে মতলব দক্ষিণে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ধর্ম ও জাতিসত্তা : একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা! বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে বৃষ্টির পানিতে পড়ে প্রাণ গেল কিশোর রায়হানের বাগেরহাট আদালত ভবনে ছাদের প্লাস্টার খসে আহত ৫ ; জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

সূর্যমুখীর হাসিতে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মতলব উত্তরের চাষি জসীম উদ্দিন

মমিনুল ইসলাম:

মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌর এলাকার দেওয়ানজিকান্দি গ্রামে সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। বাম্পার ফলনের আশায় অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছেন চাষি জসীম উদ্দিন। অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দূর–দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই ফুলের বাগান দেখতে ও ছবি তুলতে।

জানা গেছে, জসীম উদ্দিন ৩২ শতাংশ জমিতে চতুর্থবারের মতো বারি সূর্যমুখীর-৩ জাতের সূর্যমুখী চাষ করেছেন। মতলব উত্তর কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় ঘানি ব্যবহার করলে পরিপক্ব সূর্যমুখীর বীজ থেকে সহজেই তেল উৎপাদন করা যায়, যা বাজারে ভালো দামে বিক্রি হয়। জসীম উদ্দিন ছাড়াও উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে।

চাষি জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় সূর্যমুখী চাষ করেছি। গত দুই বছরও করেছি প্রথমবার লাভ হয়েছিল, দ্বিতীয়বার প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয়েছে। তৃতীয়বার লোকজন ছবি তুলতে এসে অনেক ফুল নষ্ট করেছে। যেসব ফুল থেকে তেল হবে না, সেগুলো ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বাজারে বিক্রি করব। আশা করছি এ বছর ভালো লাভ হবে। সামনে চাষ আরও বাড়াতে চাই।

ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের রাফিয়া খানম বলেন, প্রকৃতির ঘ্রাণ নিতে বান্ধবীদের নিয়ে এখানে এসেছি। ফুলের গন্ধে মন নেচে উঠছে।

দর্শনার্থী হুমায়ারা, আলো আক্তার, নুসরাত জাহান ও মরিয়ম আক্তার বলেন, ঘরবন্দি জীবন থেকে একটু মুক্ত হাওয়ায় বেড়াতে এসে এত সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগছে। সবাই মিলে ছবি তুলছি।

শিক্ষার্থী বেনজির হাসান বলেন, একসঙ্গে এত সূর্যমুখী ফুল দেখা সত্যিই দারুণ অনুভূতি। বাসায় ছোট বাগান করা যায়, কিন্তু এমন ফুলের ক্ষেত সচরাচর দেখা যায় না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, উৎপাদন বাড়াতে উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও সূর্যমুখী চাষ সম্প্রসারণে বীজ, সার ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে। অন্য তেলের তুলনায় সূর্যমুখীর চাহিদা বেশি, তাই কৃষকদের এ ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা