ফের অস্থির হয়ে উঠেছে ডিমের বাজার। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যটির দাম বাড়ানো হচ্ছে দফায় দফায় ।
গত দুদিনের ব্যবধানে ডিমের হালিতে দাম ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এ জন্য ক্ষুদ্র খামারি, করপোরেট প্রতিষ্ঠানসহ বড় কারবারিরা পরস্পরকে দুষছেন। মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার দাম বেঁধে দিলেও বাজারে সে দামে ডিম মিলছে না।
এদিকে ক্ষুদ্র খামারিরা বলছেন, বাজারে ডিমের কোনো সংকট নেই। করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও তেজগাঁওয়ের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।
অন্যদিকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, বাজারে ডিমের সংকট রয়েছে। বৃষ্টিপাত ও বন্যায় বিভিন্ন স্থানে সবজির ক্ষতি হওয়ায় ডিমের ওপর চাপ বেড়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে বাজারে ডিমের চাপ কমবে বলে জানান তারা।
বাজারে ডিমের দাম স্বাভাবিক রাখতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ডিমের উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা দাম নির্ধারণ করে দেয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের আদেশে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতিটি ডিম ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা দাম নির্ধারণ করা হয়।
সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবির প্রতিবেদনই বলছে, খুচরা বাজারে অনেকটাই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ডিম।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার তদারকির প্রতিবেদন অনুযায়ীই গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খুচরা প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকায়। এতে প্রতিটি ডিমের দাম পড়ে ১৩ টাকা ৭৫ পয়সা। টিসিবির হিসাবে এক সপ্তাহ আগেই তা ছিল ৫৩-৫৫ টাকা (তখনও প্রতিটি অন্তত ১৩ টাকা ২৫ পয়সা) হালি করে। এক মাস আগে দাম ছিল ৫০-৫৩ টাকা হালি।