April 16, 2026, 9:14 pm
শিরোনামঃ
মতলব উত্তরে জাটকা রক্ষা অভিযানে ১২ জেলে আটক, জব্দ ৫ নৌকা মতলব উত্তরে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, নারী-শিশুসহ আহত একাধিক মতলব উত্তরে বিদ্যালয়ের রাস্তার ইট উপড়ে ফেলার প্রতিবাদে মানববন্ধন দুই দিনের সফরে মতলবে আসছেন এমপি ড. জালাল উদ্দিন বঙ্গোপসাগরে প্রজনন রক্ষায় ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ বাগেরহাটে কুমিরের শিকার কুকুরটি ছিলো জলাতঙ্কে আক্রান্ত : তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ মতলব উত্তরে ঘনিয়ারপাড়ে জমজমাট বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব মতলব উত্তরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করল বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় জিকির ও ফিকির : সূফীবাদের আত্মিক অনুশীলন

বঙ্গোপসাগরে প্রজনন রক্ষায় ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ

ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি:

বঙ্গোপসাগর-এ সামুদ্রিক মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে, যা আগামী ১১ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ উদ্যোগের ফলে ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন হবে এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, পূর্বে ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিনের জন্য সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। শুরুতে এ নিষেধাজ্ঞা কেবল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিশিং ট্রলারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য থাকলেও ২০১৯ সাল থেকে উপকূলীয় সকল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকাকেও এর আওতায় আনা হয়।

তবে দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা সেই সুযোগে সীমান্ত অতিক্রম করে মাছ আহরণ করত।

জেলেদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করে। পার্শ্ববর্তী ভারত-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবরোধ ৭ দিন কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়। গত বছরের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত নতুন সময়সূচি কার্যকর করা হয়, যা চলতি বছরেও বহাল রাখা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলেরা জানান, ভারতের সঙ্গে সময়সীমা সমন্বয় করায় তারা সন্তুষ্ট। এতে বিদেশি জেলেদের অনুপ্রবেশের সুযোগ কমবে এবং দেশীয় জেলেরা ভবিষ্যতে বেশি উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়নে উপকূলীয় এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা