নিম্ন-মধ্যবিত্তদের উপর থেকে যেন হতাশা কাঁটছেই না, নাগালের বাইরে ডিমের দাম। নিম্ন-মধ্যবিত্তদের সংসারে খাবারের তালিকায় ডিম যেন শেষ ভরসার নাম। যা আহার করেই নিম্ন-মধ্যবিত্তরা দৈহিক আমিষের চাহিদা পূরণ করে থাকে।
বাজারে ডিমের ঊর্ধ্বমুখী দাম যেন জনগণের অস্বস্তি ও ব্যকুলতার অন্যতম কারণ। বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতিতে এক প্রকার চরম হতাশায় দরিদ্র পরিবারের কর্তারা।
ডিম যা একটি সহজলভ্য ও উন্নতমানের আমিষ জাতীয় খাদ্য। যাতে রয়েছে প্রাকৃতিক ভিটামিন, যা দেহগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডিমে রয়েছে অতি মূল্যবান ওমেগা-৩, যা হৃৎপিণ্ডকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে।
অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বেড়াজালে জিম্মি দেশের নিন্ম-মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষেরা।
খামারী পর্যায়ে পন্যের কোনো সংকট নেই তাছাড়া খামারী ব্যবসায়ীদের উৎপাদন খরচ বিবেচনা করলে প্রতি পিস ডিমের দাম ১০-১২৳ বেশি হওয়ার কথা নয়। তবে বাজারে ঠিক তার উল্টো চিত্র। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০৳-১৮০৳।
পড়েছে খুচরা বাজারে প্রভাব। প্রতি পিসের দাম ১৪ টাকার অধিক। যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি ক্রেতাদের মতে। গত তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ডজন প্রতি ডিমের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
অসাধু, মুনাফা লোভী ও শক্তিশালী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রয়োজন সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্টদের যৌথ অভিযান, নজরধারী বাজার মনিটরিং।
সরকারের শক্ত পদক্ষেপই পারবে জনসাধারণের বাজারমুখী হতাশা ও অশান্ত পরিস্থিতি দূর করে নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে।